সংবাদ শিরোনাম
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দিনাজপুর-৪২ বিজিবি’র উদ্যোগে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ দিনাজপুরে ৪২ বিজিবি’র বিশেষ অভিযান: বিরল সীমান্তে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ মাদক পাচারকারীরা প্রতিনিয়ত তাদের কৌশল পরিবর্তন করছে- ৪২ বিজিবি অধিনায়ক লেঃ কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান –বিজিবি’র অভিযানে ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর  সীমান্তে ১ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট উদ্ধার পীরগঞ্জে মাদক ব্যবসার বাইক জালিয়ে দিলেন জনগন মির্জা ফয়সল-ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে রাজনীতি,অত:পর ঠাকুরগাঁও-১ এর সংসদ সদস্য ৪২ বিজিবি’র অভিযানে ৫ জন আটক, বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার-‘মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে ধ্বংস করে না, বরং পরিবার ও সমাজের স্থিতিশীলতাকেও বিপন্ন করে- লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান মানবিকতা, সততা ও কর্মনিষ্ঠায় পীরগঞ্জ-বাসীর আস্থার প্রতীক ইউএনও গোলাম রব্বানী সরদার ৪২-বিজিবি দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন এর বিশেষ অভিযান, বিরল সীমান্তে ভারতীয় মদ উদ্ধার ৪২-বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে ঠাকুরগাঁও-দিনাজপুর সীমান্ত এলাকায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক উদ্ধার সীমান্তের ১৩ টি পূজা মন্ডবে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেছে ৪২ বিজিবির সদস্যরা

পশু শিকার মামলায় সাইফের নাম!

কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলায় রক্ষা পেয়েও যেন শেষ রক্ষা হলো না সাইফ আলী খানের। একই মামলার মূল আসামি সালমান খান এখন জামিনে রয়েছেন। তবে সাইফ কিন্তু এখান থেকে ছাড়া পেয়েও রক্ষা পাননি। জড়িয়ে পড়েছেন আরেকটি মামলায়। আর এই মামলাটি বন্য প্রাণী শিকারের সঙ্গে জড়িত। বুলগেরিয়ার একটি বন্য শূকর শিকার মামলায় এবার সরাসরি ইন্টারপোল (আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা) থেকে নোটিশ পেয়েছেন ছোট নবাব।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাইফ আলী খানের এই মামলায় তাঁর এজেন্টকে প্রথম তলব করে বুলগেরিয়া পুলিশ। কারণ সাইফের সেই এজেন্টই তাঁকে বুলগেরিয়াতে বন্য শূকর শিকারের ব্যবস্থা করে দেন। আর সেই ব্যবস্থা করা হয়েছিল কোনো অনুমতি ছাড়া। সেই দেশের আইন অনুযায়ী বিদেশিদের নিজ দেশে শিকারের লাইসেন্স থাকতে হয়। আর তা না হলে বুলগেরিয়াতে একটি পরীক্ষায় পাস করে লাইসেন্স নিতে হয়। অথচ সাইফ আলী খানের দুটির একটিও ছিল না। ইন্টারপোল এখন সাইফের এই মামলার বিস্তারিত তদন্ত করে দেখছে।

মুম্বাইয়ের বান্দ্রা থানায় আসামি সাইফ আলী খানের একটি বিবৃতি লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ইন্টারপোলের পক্ষ থেকে সেই থানায় যোগাযোগ করা হয়েছে। তবে সাইফের বিবৃতি কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরোতে পাঠানো হয়েছে কি না, তা এখনো জানা যায়নি। এদিকে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানাচ্ছে, বুলগেরিয়ার পুলিশদের তদন্ত অনুযায়ী সাইফ আলী খান এই বন্য শূকর শিকার মামলার একজন প্রত্যক্ষদর্শী মাত্র। যদিও গণমাধ্যমকে এখনো সাইফ নিজে এ বিষয়ে কোনো বিবৃতি বা মন্তব্য দেননি।

সাইফ কিছুদিন আগে নেটফ্লিক্সের ‘স্কেআর্ড গেইমস’-এর প্রথম ধাপের শুটিং শেষ করেছেন। এ ছাড়া এই নায়কের হাতে আছে ‘হান্টার’ ও ‘বাজার’ নামের দুটি ছবি।

সম্প্রতি সাইফ তাঁর স্ত্রী কারিনা কাপুর খান ও ছেলে তৈমুরকে নিয়ে লন্ডনে ছুটি কাটাতে গেছেন। যদিও বিমানবন্দরে তৈমুরকে নিয়ে কারিনাকে একাই মুম্বাই ছাড়তে দেখা যায়। তা নিয়ে শুরু হয় নানা জল্পনা। এখন বোঝা যাচ্ছে, সাইফ আলী খান হয়তো এই মামলার জটিলতায় ফেঁসে যাওয়ায় তাঁদের সঙ্গে যেতে পারেননি। কিন্তু তিনি এখন লন্ডনে স্ত্রী-সন্তানের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। ইন্টারনেটে লন্ডনের রাস্তায় তাঁদের একসঙ্গে ঘুরে বেড়ানোর একটি ছবি দেখা গেছে।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দিনাজপুর-৪২ বিজিবি’র উদ্যোগে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

পশু শিকার মামলায় সাইফের নাম!

আপডেট টাইম ০৫:০৩:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ জুন ২০১৮

কৃষ্ণসার হরিণ শিকার মামলায় রক্ষা পেয়েও যেন শেষ রক্ষা হলো না সাইফ আলী খানের। একই মামলার মূল আসামি সালমান খান এখন জামিনে রয়েছেন। তবে সাইফ কিন্তু এখান থেকে ছাড়া পেয়েও রক্ষা পাননি। জড়িয়ে পড়েছেন আরেকটি মামলায়। আর এই মামলাটি বন্য প্রাণী শিকারের সঙ্গে জড়িত। বুলগেরিয়ার একটি বন্য শূকর শিকার মামলায় এবার সরাসরি ইন্টারপোল (আন্তর্জাতিক পুলিশ সংস্থা) থেকে নোটিশ পেয়েছেন ছোট নবাব।

টাইমস অব ইন্ডিয়ার একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাইফ আলী খানের এই মামলায় তাঁর এজেন্টকে প্রথম তলব করে বুলগেরিয়া পুলিশ। কারণ সাইফের সেই এজেন্টই তাঁকে বুলগেরিয়াতে বন্য শূকর শিকারের ব্যবস্থা করে দেন। আর সেই ব্যবস্থা করা হয়েছিল কোনো অনুমতি ছাড়া। সেই দেশের আইন অনুযায়ী বিদেশিদের নিজ দেশে শিকারের লাইসেন্স থাকতে হয়। আর তা না হলে বুলগেরিয়াতে একটি পরীক্ষায় পাস করে লাইসেন্স নিতে হয়। অথচ সাইফ আলী খানের দুটির একটিও ছিল না। ইন্টারপোল এখন সাইফের এই মামলার বিস্তারিত তদন্ত করে দেখছে।

মুম্বাইয়ের বান্দ্রা থানায় আসামি সাইফ আলী খানের একটি বিবৃতি লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ইন্টারপোলের পক্ষ থেকে সেই থানায় যোগাযোগ করা হয়েছে। তবে সাইফের বিবৃতি কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরোতে পাঠানো হয়েছে কি না, তা এখনো জানা যায়নি। এদিকে ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানাচ্ছে, বুলগেরিয়ার পুলিশদের তদন্ত অনুযায়ী সাইফ আলী খান এই বন্য শূকর শিকার মামলার একজন প্রত্যক্ষদর্শী মাত্র। যদিও গণমাধ্যমকে এখনো সাইফ নিজে এ বিষয়ে কোনো বিবৃতি বা মন্তব্য দেননি।

সাইফ কিছুদিন আগে নেটফ্লিক্সের ‘স্কেআর্ড গেইমস’-এর প্রথম ধাপের শুটিং শেষ করেছেন। এ ছাড়া এই নায়কের হাতে আছে ‘হান্টার’ ও ‘বাজার’ নামের দুটি ছবি।

সম্প্রতি সাইফ তাঁর স্ত্রী কারিনা কাপুর খান ও ছেলে তৈমুরকে নিয়ে লন্ডনে ছুটি কাটাতে গেছেন। যদিও বিমানবন্দরে তৈমুরকে নিয়ে কারিনাকে একাই মুম্বাই ছাড়তে দেখা যায়। তা নিয়ে শুরু হয় নানা জল্পনা। এখন বোঝা যাচ্ছে, সাইফ আলী খান হয়তো এই মামলার জটিলতায় ফেঁসে যাওয়ায় তাঁদের সঙ্গে যেতে পারেননি। কিন্তু তিনি এখন লন্ডনে স্ত্রী-সন্তানের সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। ইন্টারনেটে লন্ডনের রাস্তায় তাঁদের একসঙ্গে ঘুরে বেড়ানোর একটি ছবি দেখা গেছে।