সংবাদ শিরোনাম
৪২-বিজিবি দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন এর বিশেষ অভিযান, বিরল সীমান্তে ভারতীয় মদ উদ্ধার ৪২-বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে ঠাকুরগাঁও-দিনাজপুর সীমান্ত এলাকায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক উদ্ধার সীমান্তের ১৩ টি পূজা মন্ডবে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেছে ৪২ বিজিবির সদস্যরা পীরগঞ্জে দুর্গাপূজা সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ন করতে উপজেলা প্রশাসনের মত-বিনীময় সভা পীরগঞ্জে হিন্দু ধর্মীয় দুর্গা-পূজার জন্য অনুদান বিতরন একটি আদর্শ, একটি স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দেবার ক্ষেত্রে এটি নি:সন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ন মাইলফলক-পরিচালক ইত্তাশাম-উল-হক পীরগঞ্জে ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত চেরকুঘাট সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন চেরকুঘাট সেতুর উদ্বোধন করলেন এমপি জাহিদুর ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলে অন্ত: প্রতিযোগীতা ইংলিশ অলিম্পিয়ার্ড ও বিজ্ঞান উৎসবের উদ্বোধন পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর টিকা দেয়ার কারনে আজ দেশ থেকে গুটি বসন্ত রোগ চিরতরে বিদায় হয়েছে, তেমনি করে গরু ছাগলকেও টিকা দেয়ার বিকল্প নেই-ঠাকুরগাঁওয়ে লাইভষ্টক পরিচালক ডা: আব্দুল হাই সরকার

মহাসড়কে টোল আদায়ের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী

ডেস্ক::মহাসড়কে কীভাবে টোল আদায় করা যায়, সেই পরিকল্পনা করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় সংশ্লিষ্টদের সরকারপ্রধান এই নির্দেশ দেন বলে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে একনেক সভা শেষে প্রধানমন্ত্রীর এমন নির্দেশনার কথা অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে জানান পরিকল্পনামন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘এখানে (প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে) মন্তব্য এসেছে, সড়কে টোল বসানো। টোল সংযোজিত হবে। আমাদের রাস্তা বানাতে হবে। রাস্তা রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। মেরামত করতে হবে। মেরামত না করলে আপনারা সবাই বিরক্ত হন। টাকা লাগে তো। সুতরাং টোল করে সামান্য টাকা চাঁদা দিয়ে যাবেন। এটা উনি (প্রধানমন্ত্রী) মনে করেন, এটা বোধহয় ফ্রি হওয়া ঠিক নয়। আমি তার সাথে শতভাগ একমত।’

এম এ মান্নান বলেন, ‘তিনি (প্রধানমন্ত্রী) আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন, এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য। টোল ফ্রি না করে, টোল যেন নেয়া হয়। যাতে কস্টটা রিকভারি হয়।’

‘তবে টোলের সিস্টেমটা দ্রুত করতে হবে। গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে এক ঘণ্টা, এটা ঠিক নয়। এখন টেকনোলজি আছে, তাড়াতাড়ি নিয়ে নিতে হবে’- বলেন পরিকল্পনামন্ত্রী।

একনেক সভায় সব মিলিয়ে ৩ হাজার ৪৬২ কোটি টাকার ৭টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পগুলো হলো- ৫৯৫ কোটি টাকার ইমার্জেন্সি মাল্টি সেক্টর রোহিঙ্গা ক্রাইসিস রেসপন্স প্রজেক্ট (১ম সংশোধিত); ৮৪৫ কোটি টাকার বারইয়ারহাট-হেঁয়াকো-রামগড় সড়ক প্রশস্ত করা; ৫২৪ কোটি টাকার দাউদকান্দি-গোয়ালমারী-শ্রীরায়েরচর (কুমিল্লা)-মতলব উত্তর (ছেঙ্গারচর) জেলা মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীত করা; ৫২৬ কোটি টাকার খুলনা সড়ক জোনের আওতাধীন মহাসড়কে বিদ্যমান সরু ও ঝুঁকিপূর্ণ পুরাতন কংক্রিট সেতু-বেইলি সেতুর স্থলে কংক্রিট সেতু নির্মাণ; ৭১২ কোটি টাকার তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙন থেকে পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার ধুলিয়া লঞ্চঘাট হতে বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপাশা রক্ষা; ৫৩১ কোটি টাকার কপোতাক্ষ নদের জলাবদ্ধতা দূর করা (২য় পর্যায়) এবং ৬১ কোটি টাকার গভীর সমুদ্রে টুনা ও সমজাতীয় পেলাজিক মাছ আহরণে পাইলট প্রকল্প।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

জনপ্রিয় সংবাদ

৪২-বিজিবি দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন এর বিশেষ অভিযান, বিরল সীমান্তে ভারতীয় মদ উদ্ধার

মহাসড়কে টোল আদায়ের পক্ষে প্রধানমন্ত্রী

আপডেট টাইম ০১:০৭:২৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২০
ডেস্ক::মহাসড়কে কীভাবে টোল আদায় করা যায়, সেই পরিকল্পনা করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় সংশ্লিষ্টদের সরকারপ্রধান এই নির্দেশ দেন বলে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার দুপুরে একনেক সভা শেষে প্রধানমন্ত্রীর এমন নির্দেশনার কথা অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে জানান পরিকল্পনামন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘এখানে (প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে) মন্তব্য এসেছে, সড়কে টোল বসানো। টোল সংযোজিত হবে। আমাদের রাস্তা বানাতে হবে। রাস্তা রক্ষণাবেক্ষণ করতে হবে। মেরামত করতে হবে। মেরামত না করলে আপনারা সবাই বিরক্ত হন। টাকা লাগে তো। সুতরাং টোল করে সামান্য টাকা চাঁদা দিয়ে যাবেন। এটা উনি (প্রধানমন্ত্রী) মনে করেন, এটা বোধহয় ফ্রি হওয়া ঠিক নয়। আমি তার সাথে শতভাগ একমত।’

এম এ মান্নান বলেন, ‘তিনি (প্রধানমন্ত্রী) আমাদের নির্দেশনা দিয়েছেন, এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নেয়ার জন্য। টোল ফ্রি না করে, টোল যেন নেয়া হয়। যাতে কস্টটা রিকভারি হয়।’

‘তবে টোলের সিস্টেমটা দ্রুত করতে হবে। গিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে এক ঘণ্টা, এটা ঠিক নয়। এখন টেকনোলজি আছে, তাড়াতাড়ি নিয়ে নিতে হবে’- বলেন পরিকল্পনামন্ত্রী।

একনেক সভায় সব মিলিয়ে ৩ হাজার ৪৬২ কোটি টাকার ৭টি প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রকল্পগুলো হলো- ৫৯৫ কোটি টাকার ইমার্জেন্সি মাল্টি সেক্টর রোহিঙ্গা ক্রাইসিস রেসপন্স প্রজেক্ট (১ম সংশোধিত); ৮৪৫ কোটি টাকার বারইয়ারহাট-হেঁয়াকো-রামগড় সড়ক প্রশস্ত করা; ৫২৪ কোটি টাকার দাউদকান্দি-গোয়ালমারী-শ্রীরায়েরচর (কুমিল্লা)-মতলব উত্তর (ছেঙ্গারচর) জেলা মহাসড়ক যথাযথ মান ও প্রশস্ততায় উন্নীত করা; ৫২৬ কোটি টাকার খুলনা সড়ক জোনের আওতাধীন মহাসড়কে বিদ্যমান সরু ও ঝুঁকিপূর্ণ পুরাতন কংক্রিট সেতু-বেইলি সেতুর স্থলে কংক্রিট সেতু নির্মাণ; ৭১২ কোটি টাকার তেঁতুলিয়া নদীর ভাঙন থেকে পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলার ধুলিয়া লঞ্চঘাট হতে বরিশাল জেলার বাকেরগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপাশা রক্ষা; ৫৩১ কোটি টাকার কপোতাক্ষ নদের জলাবদ্ধতা দূর করা (২য় পর্যায়) এবং ৬১ কোটি টাকার গভীর সমুদ্রে টুনা ও সমজাতীয় পেলাজিক মাছ আহরণে পাইলট প্রকল্প।