ঢাকা ০৬:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬, ১৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা, এডহক ডাক্তারের প্রভাবে প্রশ্নবিদ্ধ ঠাকুরগাঁওয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ–যেন দেখার কেউ নেই ঠাকুরগাঁওয়ে সড়ক বিভাগের একটি চিঠিতে আতঙ্কিত জমির মালিক চাপা উত্তেজনা পীরগঞ্জে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, এসপি বরাবর অভিযোগ পীরগঞ্জ আল-হাসানা স্কুল এন্ড কলেজের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ স্থাপেনর সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে : মির্জা ফখরুল কর্তব্যরত অবস্থায় ঠাকুরগায়ের পীরগঞ্জ থানার এক এএসআই’র মৃত্যু যখন গনতন্ত্র চাপা থাকে তখন উগ্রবাদী শক্তিগলোর উল্থন ঘটে,তারা মাথা চাড়া দিয়ে উঠে-ঠাকুরগায়ে মির্জা ফখরুল ঠাকুরগায়ের ৩ টি আসনেই বিএনপি’র বিজয়,প্রতিদ্বন্দিতা করেছে জামায়াত ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির অর্ধ-কোটি টাকাসহ আটক,এলাকায় চাঞ্চল্য ঠাকুরগাঁয়ে হ্যাঁ ভোটের প্রচারনায় শ্রম উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার এম শাখাওয়াত

ফখরুলের পোস্টার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

সারাদিন ডেস্ক::ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পোস্টার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

রোববার রাত ৮টার দিকে রুহিমানপুর মাদারগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হামলায় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আবু সায়েম পরাগ গুরুতর আহত হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সদর উপজেলা রুহিমানপুর মাদারগঞ্জ এলাকায় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আবু সায়েম পরাগ স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পোস্টার লাগাতে যায়। এ সময় একই এলাকার যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বাধা দেয়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ লাগে। সংঘর্ষে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আবু সায়েম পরাগ গুরুতর আহত হয়। তাকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

আহত আবু সায়েম পরাগ বলেন, বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফখরুলের পোস্টার লাগালে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ ছেঁড়ে ফেলে বাধা দেয়। পরে পোস্টার লাগাতে গেলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। এতে আমার মাথা ফেটে যায়। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ওপর দায় চাপানোর জন্য যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নাম ব্যবহার করছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। আমরা বিএনপি প্রার্থীর পোস্টার লাগানোর বিষয়ে কোনো বাধা দেইনি। তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে। ঠাকুরগাঁও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নুরুজ্জামান নুরু বলেন, প্রতিনিয়ত আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা আমাদের প্রার্থীর প্রচার-প্রচারণায় হামলা ও বাধা দিচ্ছে। প্রশাসনকে জানালেও ব্যবস্থা নিচ্ছে না পুলিশ। ঠাকুরগাঁও সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থলে তাৎক্ষণিক পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সংঘর্ষ এড়াতে আমরা সতর্ক রয়েছি।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা, এডহক ডাক্তারের প্রভাবে প্রশ্নবিদ্ধ ঠাকুরগাঁওয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ–যেন দেখার কেউ নেই

ফখরুলের পোস্টার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ

আপডেট টাইম ১২:৪৫:২৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০১৮

সারাদিন ডেস্ক::ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পোস্টার ছেঁড়াকে কেন্দ্র করে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতাসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

রোববার রাত ৮টার দিকে রুহিমানপুর মাদারগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। হামলায় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আবু সায়েম পরাগ গুরুতর আহত হয়েছেন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সদর উপজেলা রুহিমানপুর মাদারগঞ্জ এলাকায় ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আবু সায়েম পরাগ স্থানীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পোস্টার লাগাতে যায়। এ সময় একই এলাকার যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা বাধা দেয়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ লাগে। সংঘর্ষে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আবু সায়েম পরাগ গুরুতর আহত হয়। তাকে স্থানীয় লোকজন উদ্ধার করে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করে।

আহত আবু সায়েম পরাগ বলেন, বিএনপি প্রার্থী মির্জা ফখরুলের পোস্টার লাগালে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ ছেঁড়ে ফেলে বাধা দেয়। পরে পোস্টার লাগাতে গেলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। এতে আমার মাথা ফেটে যায়। ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, নির্বাচনে আওয়ামী লীগের ওপর দায় চাপানোর জন্য যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নাম ব্যবহার করছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। আমরা বিএনপি প্রার্থীর পোস্টার লাগানোর বিষয়ে কোনো বাধা দেইনি। তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে এ ঘটনা ঘটতে পারে। ঠাকুরগাঁও জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নুরুজ্জামান নুরু বলেন, প্রতিনিয়ত আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা আমাদের প্রার্থীর প্রচার-প্রচারণায় হামলা ও বাধা দিচ্ছে। প্রশাসনকে জানালেও ব্যবস্থা নিচ্ছে না পুলিশ। ঠাকুরগাঁও সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনাস্থলে তাৎক্ষণিক পুলিশ পাঠানো হয়েছে। সংঘর্ষ এড়াতে আমরা সতর্ক রয়েছি।