সংবাদ শিরোনাম
তারেক রহমানের নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ দ্রুত সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে- মির্জা ফখরুল ঠাকুরগাঁওয়ে দাম্পত্য কলহের জেরে ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধুর মৃত্যু, স্বামী পলাতক সাংবাদিকতার চাইতে চ্যালেঞ্জিং পেশা আর নেই-মির্জা ফখরুল পীরগঞ্জ প্রাণিসম্পদ দপ্তরে নির্ধারিত ৫শ৪৬ খামারীর মাঝে পশুখাদ্য ও উপকরণ বিতরণ পীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদে এমপি’র অফিস উদ্বোধন পীরগঞ্জে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে স্থানীয় এমপি;র মত-বিনীময় সভা অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলের ১ম ত্রৈ-মাসিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত পীরগঞ্জে সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৩ কিলোমিটার খাল-খনন প্রকল্পের উদ্বোধন পীরগঞ্জে পূর্ব চৌরাস্তা ব্যাবসায়ী সমিতি নির্বাচন-রব্বানী সভাপতি, রাজা সম্পাদক পীরগঞ্জে সিসি ক্যামেরার আওতায় নকলমুক্ত পরিবেশে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

বিএনপির মহাসচিব বগুড়ায় জিতলেও নিজের আসন ঠাকরগাঁওয়ে হেরে গেলেন

আজম রেহমান,সারাদিন ডেস্ক::বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বগুড়া-৬ আসনে জিতলেও তার পারিবারিক আসন ঠাকুরগাঁও-১ এ হেরেছেন।। এখানকার ১৭৫টি কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ১ এক লাখ ২৫ হাজার ৯০৯ ভোট। এ আসনে ২ লাখ ২৪ হাজার ৭৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বর্তমান এমপি রমেশ চন্দ্র সেন।
বগুড়া-৬ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ওই আসনে ২ লাখ ৬ হাজার ৯৮৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।
সর্বশেষ ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ২০০১ সালের নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। ওই বার ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯১০ পেয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রমেশ চন্দ্র সেন সেবার ৯৬ হাজার ৯৪৮ ভোট পেয়েছিলেন।
এর আগে ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত মির্জা ফখরুল ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে নির্বাচন করে মাত্র একবার বিজয়ী হলেন। এবার তিনি ঠাকুরগাঁও-১ আসনের পাশাপাশি বগুড়া-৬ আসনে নির্বাচনে অংশ নেন। সেখান থেকেই বিজয়ী হলেন তিনি।
প্রসঙ্গত, ১৯৯১ সালে ৫ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতা খাদেমুল ইসলামের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পেয়েছিলেন ৩৬ হাজার ৪০৬ ভোট। ওইবার খাদেমুল ইসলাম ৫৭ হাজার ৫৩৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।
১৯৯৬ সালে অনুষ্ঠিত ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পেয়েছিলেন ৫৮ হাজার ৩৬৯ ভোট। সেবারও খাদেমুল ইসলাম ৬২ হাজার ৭০৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।
২০০১ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯১০ পেয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন তিনি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রমেশ চন্দ্র সেন সেবার পেয়েছিলেন ৯৬ হাজার ৯৪৮ ভোট।
সর্বশেষ ২০০৮ সালের নির্বাচনে ১ লাখ ২০ হাজার ৪১১ ভোট পেয়ে বর্তমান সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেনের কাছে পরাজিত হন তিনি। রমেশ চন্দ্র সেন ১ লাখ ৭৭ হাজার ১০১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

তারেক রহমানের নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ দ্রুত সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে- মির্জা ফখরুল

বিএনপির মহাসচিব বগুড়ায় জিতলেও নিজের আসন ঠাকরগাঁওয়ে হেরে গেলেন

আপডেট টাইম ১০:৫৬:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮

আজম রেহমান,সারাদিন ডেস্ক::বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বগুড়া-৬ আসনে জিতলেও তার পারিবারিক আসন ঠাকুরগাঁও-১ এ হেরেছেন।। এখানকার ১৭৫টি কেন্দ্রে তিনি পেয়েছেন ১ এক লাখ ২৫ হাজার ৯০৯ ভোট। এ আসনে ২ লাখ ২৪ হাজার ৭৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বর্তমান এমপি রমেশ চন্দ্র সেন।
বগুড়া-৬ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ওই আসনে ২ লাখ ৬ হাজার ৯৮৭ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি।
সর্বশেষ ঠাকুরগাঁও-১ আসনে ২০০১ সালের নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। ওই বার ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯১০ পেয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন তিনি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রমেশ চন্দ্র সেন সেবার ৯৬ হাজার ৯৪৮ ভোট পেয়েছিলেন।
এর আগে ১৯৯১ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত মির্জা ফখরুল ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে নির্বাচন করে মাত্র একবার বিজয়ী হলেন। এবার তিনি ঠাকুরগাঁও-১ আসনের পাশাপাশি বগুড়া-৬ আসনে নির্বাচনে অংশ নেন। সেখান থেকেই বিজয়ী হলেন তিনি।
প্রসঙ্গত, ১৯৯১ সালে ৫ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতা খাদেমুল ইসলামের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে পেয়েছিলেন ৩৬ হাজার ৪০৬ ভোট। ওইবার খাদেমুল ইসলাম ৫৭ হাজার ৫৩৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।
১৯৯৬ সালে অনুষ্ঠিত ৭ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পেয়েছিলেন ৫৮ হাজার ৩৬৯ ভোট। সেবারও খাদেমুল ইসলাম ৬২ হাজার ৭০৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।
২০০১ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১ লাখ ৩৪ হাজার ৯১০ পেয়ে বিজয়ী হয়েছিলেন তিনি। তার প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী রমেশ চন্দ্র সেন সেবার পেয়েছিলেন ৯৬ হাজার ৯৪৮ ভোট।
সর্বশেষ ২০০৮ সালের নির্বাচনে ১ লাখ ২০ হাজার ৪১১ ভোট পেয়ে বর্তমান সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেনের কাছে পরাজিত হন তিনি। রমেশ চন্দ্র সেন ১ লাখ ৭৭ হাজার ১০১ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন।