ঢাকা ০৬:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫, ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ইটভাটার ভিডিও ধারণ করায় সাংবাদিককে হুমকি দিলেন যুবলীগ নেতা নি.কমিশন জুলাই অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষার সঙ্গে স্পষ্ট প্রতারণা করেছে জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনে অংশগ্রহণের সুযোগ করে দিয়ে-সারজিস রাজশাহী বিভাগের যেসব আসনে প্রার্থী দিল এনসিপি ঠাকুরগাঁও -২ আসনে বিএনপি প্রার্থী ডা: সালামের মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে মশাল মিছিল ও বিক্ষোভ ঠাকুরগাঁওয়ে মির্জা ফখরুল পরিবারের উদ্যোগ- এতিম ও নারীদের জন্য নির্মিত হচ্ছে মির্জা রুহুল আমিন অ্যান্ড ফাতেমা মেমোরিয়াল কমপ্লেক্স প্রাইমারী শিক্ষক আন্দোলনের আহ্বায়ক সামছুদ্দীনকে নোয়াখালী থেকে লক্ষীপুরে স্ট্যান্ড রিলিজ উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতির পিতার মৃত্যু- শোক ও সমবেদনা ঠাকুরগায়ে সম্পত্তির ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে একমাত্র ছেলে মৃত বাবার লাশ দাফনে বাধা দে ফলোআপ-ঠাকুরগায়ে চলন্ত একতা এক্সপ্রেসে পপকর্ন বিক্রেতা খুনের ঘটনায়-সিরাজগঞ্জ ও দিনাজপুর থেকে চার ঘাতক গ্রেপ্তার পীরগঞ্জে চলন্ত একতা এক্সপ্রেসে পপকর্ন বিক্রেতা খুনের ঘটনায়-সিরাজগঞ্জ ও দিনাজপুর থেকে চার ঘাতক গ্রেপ্তার

পীরগঞ্জ থানায় ওপেন হাউজ ডে? এটি ওপেন নাকি গোপন ?

আজম রেহমান,সম্পাদকীয় ডেস্ক:: ২২ মে পীরগঞ্জ থানা চত্বরে কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির উদ্যোগে ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে এটি ওপেন না গোপন? এর মাধ্যমে সদাশয় সরকার ও পুলিশ বাহীনির সংশ্লিষ্ট উদ্যোগ কি সফলতা পাচ্ছে, নাকি আশাহত হচ্ছে বাংলার সাধারন মানুষ। এসব বিষয় ভাববার সময় ও সুযোগ এসেছে এখন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে মুহুত্বে দুর্নীতিকে না বলেছেন, বলেছেন বাংলাদেশ দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স হবে, ঠিক সেই মুহুত্বে এত নাটকীয়তা কেন? একই ব্যাক্তিদের ডেকে কেন করা হয় এই ওপেন হাউজ ডে, কি দরকার এটির, কি উপকার হয় এটিতে? এলাকার মানুষ ভাল থাকুক সুখে শান্তিতে থাকুক এটাই আমাদের প্রত্যাশা। ।
জনতাই পুলিশ, পুলিশই জনতা এই প্রতিপাদ্য কে সামনে রেখে পীরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের মানুষের নানামুখী সমস্যা ও আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থার উন্নতি সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনার জন্য আয়োজন করা হয় এই আলোচনা সভার। যেখানে সাধারন মানুষ নির্বিঘ্নে মনখুলে তাদের মনের কথা বলবে। কিন্তু এখানে এই সভার জন্য স্থানীয় সাংবাদিকদের এবারে আমন্ত্রন জানানো হয়নি। অথচ সাংবাদিকরাই এলাকার সকল তথ্যের খোজ খবর রাখেন বা জানেন। শুধু জনগনের সমস্যা নয় খোদ পুলিশ কতৃক সৃষ্ট সমস্যার কথাও তাদের জানা। তাদের আমন্ত্রন জানানো হলে কি পুলিশের কোন অসুবিধে হতো, নাকি উম্মুক্ত তথ্যের জগতে অজানা কোন তথ্য বেরিয়ে আসতে পারত, যা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির অন্তরায় হতোনা অবশ্যই। নাকি সাংবাদিকরা জনতার পর্যায়ে পড়েনা, তারাকি পুলিশের শত্রু? ?
এই কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি নিয়েও নানান কথা প্রচলিত। হাল আমলের বেসরকারী স্কুল কলেজ কমিটির (পকেট কমিটি) মতো পুলিশের পছন্দের বা খুব খাতিরের লোকদের এই কমিটেতে রাখা হয়। এবং এ কমিটির সদস্যদের কোন পরিবর্তন নেই। চলছে একই রকম একই নিয়মে। এসব যেন করতে হয় করা। সবটাই লোক দেখানো। যেন গোপন কারবার,বলা যাবেনা কিছুই। এর কারন কি? আমরা জানতে চাই, জবাব চাই? কিন্তু কে দেবেন জবাব, কে দেবেন সমাধান?
মাননীয় পুলিশ সুপার ও ডিআইজি মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

জনপ্রিয় সংবাদ

ইটভাটার ভিডিও ধারণ করায় সাংবাদিককে হুমকি দিলেন যুবলীগ নেতা

পীরগঞ্জ থানায় ওপেন হাউজ ডে? এটি ওপেন নাকি গোপন ?

আপডেট টাইম ০৫:২৫:৪৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০১৯

আজম রেহমান,সম্পাদকীয় ডেস্ক:: ২২ মে পীরগঞ্জ থানা চত্বরে কমিউনিটি পুলিশিং কমিটির উদ্যোগে ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রশ্ন উঠেছে এটি ওপেন না গোপন? এর মাধ্যমে সদাশয় সরকার ও পুলিশ বাহীনির সংশ্লিষ্ট উদ্যোগ কি সফলতা পাচ্ছে, নাকি আশাহত হচ্ছে বাংলার সাধারন মানুষ। এসব বিষয় ভাববার সময় ও সুযোগ এসেছে এখন।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে মুহুত্বে দুর্নীতিকে না বলেছেন, বলেছেন বাংলাদেশ দুর্নীতিতে জিরো টলারেন্স হবে, ঠিক সেই মুহুত্বে এত নাটকীয়তা কেন? একই ব্যাক্তিদের ডেকে কেন করা হয় এই ওপেন হাউজ ডে, কি দরকার এটির, কি উপকার হয় এটিতে? এলাকার মানুষ ভাল থাকুক সুখে শান্তিতে থাকুক এটাই আমাদের প্রত্যাশা। ।
জনতাই পুলিশ, পুলিশই জনতা এই প্রতিপাদ্য কে সামনে রেখে পীরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের মানুষের নানামুখী সমস্যা ও আইন-শৃঙ্খলা ব্যবস্থার উন্নতি সহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনার জন্য আয়োজন করা হয় এই আলোচনা সভার। যেখানে সাধারন মানুষ নির্বিঘ্নে মনখুলে তাদের মনের কথা বলবে। কিন্তু এখানে এই সভার জন্য স্থানীয় সাংবাদিকদের এবারে আমন্ত্রন জানানো হয়নি। অথচ সাংবাদিকরাই এলাকার সকল তথ্যের খোজ খবর রাখেন বা জানেন। শুধু জনগনের সমস্যা নয় খোদ পুলিশ কতৃক সৃষ্ট সমস্যার কথাও তাদের জানা। তাদের আমন্ত্রন জানানো হলে কি পুলিশের কোন অসুবিধে হতো, নাকি উম্মুক্ত তথ্যের জগতে অজানা কোন তথ্য বেরিয়ে আসতে পারত, যা আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতির অন্তরায় হতোনা অবশ্যই। নাকি সাংবাদিকরা জনতার পর্যায়ে পড়েনা, তারাকি পুলিশের শত্রু? ?
এই কমিউনিটি পুলিশিং কমিটি নিয়েও নানান কথা প্রচলিত। হাল আমলের বেসরকারী স্কুল কলেজ কমিটির (পকেট কমিটি) মতো পুলিশের পছন্দের বা খুব খাতিরের লোকদের এই কমিটেতে রাখা হয়। এবং এ কমিটির সদস্যদের কোন পরিবর্তন নেই। চলছে একই রকম একই নিয়মে। এসব যেন করতে হয় করা। সবটাই লোক দেখানো। যেন গোপন কারবার,বলা যাবেনা কিছুই। এর কারন কি? আমরা জানতে চাই, জবাব চাই? কিন্তু কে দেবেন জবাব, কে দেবেন সমাধান?
মাননীয় পুলিশ সুপার ও ডিআইজি মহোদয়ের দৃষ্টি আকর্ষন করছি।