সংবাদ শিরোনাম
আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত প্রাণিসম্পদ বিভাগের দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, ফ্রি ভ্যাকসিনেশন ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত: ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলের অন্ত:স্কুল শিখন ও গনিত উৎসব-২৬ অনুষ্ঠিত “আমিষেই শক্তি, আমিষেই মুক্তি” প্রতিপাদ্য নিয়ে পীরগঞ্জে   প্রানিসম্পদের ফ্রি-মেডিকেল ক্যাম্প ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শরিয়াহভিত্তিক ইসলামিক রাষ্ট্র নয়, বাংলাদেশের মানুষ উদারপন্থি রাজনীতি করতে চায়-ঠাকুরগাঁও বিএনপি’র বর্ধিত সভায় মির্জা ফখরুল ব্র্যাক’র স্বপ্নসারথী দলের কিশোরীদের মাঝে শিক্ষা সহায়তা প্রদান সম্পন্ন রংপুর বিভাগীয় পরিচালকের পীরগঞ্জ প্রানিসম্পদ দপ্তরের সম্প্রসারন কার্যক্রম পরিদর্শন পীরগঞ্জ পেৌরসভার ৫২ কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা পীরগঞ্জে বৃক্ষরােপন কর্মসূচীর উদ্বোধন পীরগঞ্জে স্বপ্ন-সারথিদের মাঝে গ্রাজুয়েশন সনদ প্রদান

জানেন কেন মোটরসাইকেলে ব্যাক গিয়ার থাকে না?

এক্সক্লুসিভ ডেস্ক : সাধারণত চার চাকার যানবাহনে রিভার্স গিয়ার থাকে। কিন্তু মোটরসাইকেলে রিভার্স দেওয়া হয় না। রিভার্স গিয়ারের মাধ্যমে বাহনকে পেছনে চালিয়ে নেওয়া যায়। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে মোটরসাইকেলে কেন রিভার্স গিয়ার দেওয়া হয় না?

বাইকে যদি রিভার্স গিয়ার থাকত তাহলে কত সুবিধাই না হত। ঠেলে ঠেলে পিছনে নিয়ে যেতে হত না মোটরসাইকেল। যেকোনো রাস্তা, গলিতে সুইচ টিপতেই রিভার্স হতে শুরু করত।

কিন্তু বাইকারদের কাছে এই ইচ্ছা পূরণের আপাতত কোনও জায়গা নেই। কারণ ৯৯ শতাংশ মোটরসাইকেল থাকে না রিভার্স বা ব্যাক গিয়ার।

মোটরসাইকেল একটি কম্প্যাক্ট বাহন। গাড়ির মতো বড় হুইলবেস থাকে না। তাই সেটিকে রিভার্স গিয়ারের মাধ্যমে পিছনে নিয়ে যাওয়ার কোনও অর্থ নেই বলে মনে করে বাইক প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি।

তাছাড়া রিভার্স গিয়ার বাইকে খুব বেশি প্রয়োজনও থাকে না। একমাত্র কেউ যদি ঢালু রাস্তা বা এমনও কোনও জায়গায় বাইক পার্ক করেন। যেখানে পা-হাত দিয়ে ঠেলে রিভার্স করা কঠিন।

কমিউটার মোটরসাইকেল, স্পোর্টস বাইক, ত্রুজারসহ ভিন্ন ধরনের বাইকে থাকে না ব্যাক গিয়ার। কিন্তু এই মোটরবাইকগুলো ওজনে হালকা হওয়ার কারণে উক্ত ফাংশনের দরকার পড়ে না। কিন্তু যে সব বাইকের ওজন অনেক বেশি সেখানে পাওয়া যায় এই সুবিধা।

ভারী ওজনের বাইক বারবার ঠেলে, গায়ের জোর দিয়ে পিছনে নিয়ে যাওয়া কারও পক্ষেই সম্ভব নয়। তার জন্য বিভিন্ন মোটরসাইকেল দেওয়া হয়ে থাকে রিভার্স গিয়ার ফাংশন।

যেমন- হোন্ডা গোল্ড উইং ট্যুর, বিএমডব্লিউ কে১৬০০ এবং বিএমডব্লিউ আর১৮। এসব বাইকে পাবেন রিভার্স গিয়ার।

বিএমডব্লিউ আর১৮ অপশনাল ফাংশন হিসাবে এটি দিয়ে থাকে। এর জন্য থাকে একটি ইলেকট্রিক মোটর। যার সাহায্যে ধীরে ধীরে বাইক রিভার্সে আনা যায়।

এই মোটরগুলো সম্পূর্ণরূপে ব্যাটারির উপর নির্ভরশীল থাকে। তাই আপনি যদি আশা করেন, রিভার্স গিয়ারের মাধ্যমে অনেক দূর যাবেন তাহলে আশাহত হবেন।

স্বল্প সময় বা স্বল্প দূরত্বের জন্যই কাজ করে এই রিভার্স গিয়ার। উক্ত বাইকগুলোর ঠিক ডিজিটাল ইনস্ট্রুমেন্ট কনসোলের নিচেই থাকে একটি সুইচ।

যা প্রেস করে এই ফাংশন ব্যবহার করা যায়। ভারী ওজনের মোটরসাইকেলের মতো সম্প্রতি বেশ কিছু ইলেকট্রিক স্কুটারেও পাওয়া যাচ্ছে রিভার্স গিয়ার।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত

জানেন কেন মোটরসাইকেলে ব্যাক গিয়ার থাকে না?

আপডেট টাইম ১০:৫৫:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৩

এক্সক্লুসিভ ডেস্ক : সাধারণত চার চাকার যানবাহনে রিভার্স গিয়ার থাকে। কিন্তু মোটরসাইকেলে রিভার্স দেওয়া হয় না। রিভার্স গিয়ারের মাধ্যমে বাহনকে পেছনে চালিয়ে নেওয়া যায়। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে মোটরসাইকেলে কেন রিভার্স গিয়ার দেওয়া হয় না?

বাইকে যদি রিভার্স গিয়ার থাকত তাহলে কত সুবিধাই না হত। ঠেলে ঠেলে পিছনে নিয়ে যেতে হত না মোটরসাইকেল। যেকোনো রাস্তা, গলিতে সুইচ টিপতেই রিভার্স হতে শুরু করত।

কিন্তু বাইকারদের কাছে এই ইচ্ছা পূরণের আপাতত কোনও জায়গা নেই। কারণ ৯৯ শতাংশ মোটরসাইকেল থাকে না রিভার্স বা ব্যাক গিয়ার।

মোটরসাইকেল একটি কম্প্যাক্ট বাহন। গাড়ির মতো বড় হুইলবেস থাকে না। তাই সেটিকে রিভার্স গিয়ারের মাধ্যমে পিছনে নিয়ে যাওয়ার কোনও অর্থ নেই বলে মনে করে বাইক প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি।

তাছাড়া রিভার্স গিয়ার বাইকে খুব বেশি প্রয়োজনও থাকে না। একমাত্র কেউ যদি ঢালু রাস্তা বা এমনও কোনও জায়গায় বাইক পার্ক করেন। যেখানে পা-হাত দিয়ে ঠেলে রিভার্স করা কঠিন।

কমিউটার মোটরসাইকেল, স্পোর্টস বাইক, ত্রুজারসহ ভিন্ন ধরনের বাইকে থাকে না ব্যাক গিয়ার। কিন্তু এই মোটরবাইকগুলো ওজনে হালকা হওয়ার কারণে উক্ত ফাংশনের দরকার পড়ে না। কিন্তু যে সব বাইকের ওজন অনেক বেশি সেখানে পাওয়া যায় এই সুবিধা।

ভারী ওজনের বাইক বারবার ঠেলে, গায়ের জোর দিয়ে পিছনে নিয়ে যাওয়া কারও পক্ষেই সম্ভব নয়। তার জন্য বিভিন্ন মোটরসাইকেল দেওয়া হয়ে থাকে রিভার্স গিয়ার ফাংশন।

যেমন- হোন্ডা গোল্ড উইং ট্যুর, বিএমডব্লিউ কে১৬০০ এবং বিএমডব্লিউ আর১৮। এসব বাইকে পাবেন রিভার্স গিয়ার।

বিএমডব্লিউ আর১৮ অপশনাল ফাংশন হিসাবে এটি দিয়ে থাকে। এর জন্য থাকে একটি ইলেকট্রিক মোটর। যার সাহায্যে ধীরে ধীরে বাইক রিভার্সে আনা যায়।

এই মোটরগুলো সম্পূর্ণরূপে ব্যাটারির উপর নির্ভরশীল থাকে। তাই আপনি যদি আশা করেন, রিভার্স গিয়ারের মাধ্যমে অনেক দূর যাবেন তাহলে আশাহত হবেন।

স্বল্প সময় বা স্বল্প দূরত্বের জন্যই কাজ করে এই রিভার্স গিয়ার। উক্ত বাইকগুলোর ঠিক ডিজিটাল ইনস্ট্রুমেন্ট কনসোলের নিচেই থাকে একটি সুইচ।

যা প্রেস করে এই ফাংশন ব্যবহার করা যায়। ভারী ওজনের মোটরসাইকেলের মতো সম্প্রতি বেশ কিছু ইলেকট্রিক স্কুটারেও পাওয়া যাচ্ছে রিভার্স গিয়ার।