ঢাকা ০৮:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ এপ্রিল ২০২৬, ২২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
পীরগঞ্জে অবৈধভাবে পেট্রল মজুদকালে পাম্প মালিককে মোবাইল কোর্টে জরিমানা অনাদায়ে ৩ মাসের জেল স্বাস্থ্য-মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা অভিভাবকহীন পীরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,হুমকির মুখে স্বাস্থ্য সেবা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা, এডহক ডাক্তারের প্রভাবে প্রশ্নবিদ্ধ ঠাকুরগাঁওয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ–যেন দেখার কেউ নেই ঠাকুরগাঁওয়ে সড়ক বিভাগের একটি চিঠিতে আতঙ্কিত জমির মালিক চাপা উত্তেজনা পীরগঞ্জে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, এসপি বরাবর অভিযোগ পীরগঞ্জ আল-হাসানা স্কুল এন্ড কলেজের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ স্থাপেনর সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে : মির্জা ফখরুল কর্তব্যরত অবস্থায় ঠাকুরগায়ের পীরগঞ্জ থানার এক এএসআই’র মৃত্যু যখন গনতন্ত্র চাপা থাকে তখন উগ্রবাদী শক্তিগলোর উল্থন ঘটে,তারা মাথা চাড়া দিয়ে উঠে-ঠাকুরগায়ে মির্জা ফখরুল ঠাকুরগায়ের ৩ টি আসনেই বিএনপি’র বিজয়,প্রতিদ্বন্দিতা করেছে জামায়াত

জানেন কেন মোটরসাইকেলে ব্যাক গিয়ার থাকে না?

এক্সক্লুসিভ ডেস্ক : সাধারণত চার চাকার যানবাহনে রিভার্স গিয়ার থাকে। কিন্তু মোটরসাইকেলে রিভার্স দেওয়া হয় না। রিভার্স গিয়ারের মাধ্যমে বাহনকে পেছনে চালিয়ে নেওয়া যায়। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে মোটরসাইকেলে কেন রিভার্স গিয়ার দেওয়া হয় না?

বাইকে যদি রিভার্স গিয়ার থাকত তাহলে কত সুবিধাই না হত। ঠেলে ঠেলে পিছনে নিয়ে যেতে হত না মোটরসাইকেল। যেকোনো রাস্তা, গলিতে সুইচ টিপতেই রিভার্স হতে শুরু করত।

কিন্তু বাইকারদের কাছে এই ইচ্ছা পূরণের আপাতত কোনও জায়গা নেই। কারণ ৯৯ শতাংশ মোটরসাইকেল থাকে না রিভার্স বা ব্যাক গিয়ার।

মোটরসাইকেল একটি কম্প্যাক্ট বাহন। গাড়ির মতো বড় হুইলবেস থাকে না। তাই সেটিকে রিভার্স গিয়ারের মাধ্যমে পিছনে নিয়ে যাওয়ার কোনও অর্থ নেই বলে মনে করে বাইক প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি।

তাছাড়া রিভার্স গিয়ার বাইকে খুব বেশি প্রয়োজনও থাকে না। একমাত্র কেউ যদি ঢালু রাস্তা বা এমনও কোনও জায়গায় বাইক পার্ক করেন। যেখানে পা-হাত দিয়ে ঠেলে রিভার্স করা কঠিন।

কমিউটার মোটরসাইকেল, স্পোর্টস বাইক, ত্রুজারসহ ভিন্ন ধরনের বাইকে থাকে না ব্যাক গিয়ার। কিন্তু এই মোটরবাইকগুলো ওজনে হালকা হওয়ার কারণে উক্ত ফাংশনের দরকার পড়ে না। কিন্তু যে সব বাইকের ওজন অনেক বেশি সেখানে পাওয়া যায় এই সুবিধা।

ভারী ওজনের বাইক বারবার ঠেলে, গায়ের জোর দিয়ে পিছনে নিয়ে যাওয়া কারও পক্ষেই সম্ভব নয়। তার জন্য বিভিন্ন মোটরসাইকেল দেওয়া হয়ে থাকে রিভার্স গিয়ার ফাংশন।

যেমন- হোন্ডা গোল্ড উইং ট্যুর, বিএমডব্লিউ কে১৬০০ এবং বিএমডব্লিউ আর১৮। এসব বাইকে পাবেন রিভার্স গিয়ার।

বিএমডব্লিউ আর১৮ অপশনাল ফাংশন হিসাবে এটি দিয়ে থাকে। এর জন্য থাকে একটি ইলেকট্রিক মোটর। যার সাহায্যে ধীরে ধীরে বাইক রিভার্সে আনা যায়।

এই মোটরগুলো সম্পূর্ণরূপে ব্যাটারির উপর নির্ভরশীল থাকে। তাই আপনি যদি আশা করেন, রিভার্স গিয়ারের মাধ্যমে অনেক দূর যাবেন তাহলে আশাহত হবেন।

স্বল্প সময় বা স্বল্প দূরত্বের জন্যই কাজ করে এই রিভার্স গিয়ার। উক্ত বাইকগুলোর ঠিক ডিজিটাল ইনস্ট্রুমেন্ট কনসোলের নিচেই থাকে একটি সুইচ।

যা প্রেস করে এই ফাংশন ব্যবহার করা যায়। ভারী ওজনের মোটরসাইকেলের মতো সম্প্রতি বেশ কিছু ইলেকট্রিক স্কুটারেও পাওয়া যাচ্ছে রিভার্স গিয়ার।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

পীরগঞ্জে অবৈধভাবে পেট্রল মজুদকালে পাম্প মালিককে মোবাইল কোর্টে জরিমানা অনাদায়ে ৩ মাসের জেল

জানেন কেন মোটরসাইকেলে ব্যাক গিয়ার থাকে না?

আপডেট টাইম ১০:৫৫:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৩

এক্সক্লুসিভ ডেস্ক : সাধারণত চার চাকার যানবাহনে রিভার্স গিয়ার থাকে। কিন্তু মোটরসাইকেলে রিভার্স দেওয়া হয় না। রিভার্স গিয়ারের মাধ্যমে বাহনকে পেছনে চালিয়ে নেওয়া যায়। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে মোটরসাইকেলে কেন রিভার্স গিয়ার দেওয়া হয় না?

বাইকে যদি রিভার্স গিয়ার থাকত তাহলে কত সুবিধাই না হত। ঠেলে ঠেলে পিছনে নিয়ে যেতে হত না মোটরসাইকেল। যেকোনো রাস্তা, গলিতে সুইচ টিপতেই রিভার্স হতে শুরু করত।

কিন্তু বাইকারদের কাছে এই ইচ্ছা পূরণের আপাতত কোনও জায়গা নেই। কারণ ৯৯ শতাংশ মোটরসাইকেল থাকে না রিভার্স বা ব্যাক গিয়ার।

মোটরসাইকেল একটি কম্প্যাক্ট বাহন। গাড়ির মতো বড় হুইলবেস থাকে না। তাই সেটিকে রিভার্স গিয়ারের মাধ্যমে পিছনে নিয়ে যাওয়ার কোনও অর্থ নেই বলে মনে করে বাইক প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি।

তাছাড়া রিভার্স গিয়ার বাইকে খুব বেশি প্রয়োজনও থাকে না। একমাত্র কেউ যদি ঢালু রাস্তা বা এমনও কোনও জায়গায় বাইক পার্ক করেন। যেখানে পা-হাত দিয়ে ঠেলে রিভার্স করা কঠিন।

কমিউটার মোটরসাইকেল, স্পোর্টস বাইক, ত্রুজারসহ ভিন্ন ধরনের বাইকে থাকে না ব্যাক গিয়ার। কিন্তু এই মোটরবাইকগুলো ওজনে হালকা হওয়ার কারণে উক্ত ফাংশনের দরকার পড়ে না। কিন্তু যে সব বাইকের ওজন অনেক বেশি সেখানে পাওয়া যায় এই সুবিধা।

ভারী ওজনের বাইক বারবার ঠেলে, গায়ের জোর দিয়ে পিছনে নিয়ে যাওয়া কারও পক্ষেই সম্ভব নয়। তার জন্য বিভিন্ন মোটরসাইকেল দেওয়া হয়ে থাকে রিভার্স গিয়ার ফাংশন।

যেমন- হোন্ডা গোল্ড উইং ট্যুর, বিএমডব্লিউ কে১৬০০ এবং বিএমডব্লিউ আর১৮। এসব বাইকে পাবেন রিভার্স গিয়ার।

বিএমডব্লিউ আর১৮ অপশনাল ফাংশন হিসাবে এটি দিয়ে থাকে। এর জন্য থাকে একটি ইলেকট্রিক মোটর। যার সাহায্যে ধীরে ধীরে বাইক রিভার্সে আনা যায়।

এই মোটরগুলো সম্পূর্ণরূপে ব্যাটারির উপর নির্ভরশীল থাকে। তাই আপনি যদি আশা করেন, রিভার্স গিয়ারের মাধ্যমে অনেক দূর যাবেন তাহলে আশাহত হবেন।

স্বল্প সময় বা স্বল্প দূরত্বের জন্যই কাজ করে এই রিভার্স গিয়ার। উক্ত বাইকগুলোর ঠিক ডিজিটাল ইনস্ট্রুমেন্ট কনসোলের নিচেই থাকে একটি সুইচ।

যা প্রেস করে এই ফাংশন ব্যবহার করা যায়। ভারী ওজনের মোটরসাইকেলের মতো সম্প্রতি বেশ কিছু ইলেকট্রিক স্কুটারেও পাওয়া যাচ্ছে রিভার্স গিয়ার।