ঢাকা ০৫:২০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৪ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ঠাকুরগাঁয়ে বিজিবি’র উদ্দোগে আলোচনা ও মতবিনিময় সভা সাংবাদিক বিপ্লবের উপর হামলা মামলার আসামীরা গ্রেপ্তার হচ্ছেনা পীরগঞ্জে শহীদ জমিদার পরিবারের পক্ষে কুরানখানী ও মিলাদমাহফিল চাঞ্চল্যকর আকরাম হত্যা মামলা তদন্তে পুলিশের বানিজ্য-মামলা ভিন্নখাতে প্রবাহের চেষ্টা পীরগঞ্জে নিয়োগ বাণিজ্যের প্রতিবাদে মানববন্ধন হিমালয় সংলগ্ন জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে নেই আবহাওয়া অফিস ঠাকুরগাঁওয়ে প্রাইমারীর ভাইভা পরীক্ষা দিতে গিয়ে ২ চাকরীপ্রার্থী আটক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা দিতে এসে ধরা খেলেন চাকরিপ্রার্থী।  ৪৬৮ এমপি এখনো বহাল সংসদ-সদস্যের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক জীবনে আপনি সত্যিকারের সুখী কি না যেভাবে বুঝবেন

রিজভী কী বলেন, আর কী বোঝেন- প্রশ্ন আইনমন্ত্রীর,

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি::দুর্নীতির দুই মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা এবং তার জামিনের বিষয়ে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীর মন্তব্যের জবাবে তার বোঝাপড়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। বলেন, ‘রিজভী নামে এক ভদ্রলোক আছেন, তিনি বেগম জিয়াকে নিয়ে কী বলেন, আর কী বোঝেন এ সম্পর্কে সকলের সন্দেহ আছে। তার সম্পর্কে আমি কিছু বলতে চাই না।’

শুক্রবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা চত্বরে এক অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নে আইনমন্ত্রীর এমন প্রতিক্রিয়া আসে।

দুর্নীতির দুই মামলায় ১৭ বছরের সাজা নিয়ে চৌদ্দ মাস ধরে কারাগারে আছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, খালেদা জিয়াকে ‘রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার’ জন্যই মিথ্যা মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছে।

দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে বলব, দেশনেত্রীকে নিয়ে মাইনাস ফর্মুলা বন্ধ করুন। প্যারোলের নামে মাইনাস তত্ত্বের যে অশুভ চক্রান্ত চলছে, তাতে কোনও লাভ হবে না। আদালতের ওপর অবৈধ হস্তক্ষেপ বন্ধ হলেই আমাদের দেশনেত্রী আইনি প্রক্রিয়ায় জামিনে বেরিয়ে আসবেন।’

রিজভীর অভিযোগের বিষয়ে আইনমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘এতিমের টাকা চুরির জন্য খালেদা জিয়াকে নিম্ন আদালতে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। সেই শাস্তির বিরুদ্ধে খালেদা জিয়া হাইকোর্টে আপিল করেছিলেন। সেখানে তাকে ৫ বছর থেকে ১০ বছর সাজা দেওয়া হয়েছে। এখানে সরকারের কোন হস্তক্ষেপ দেখা গেল আমি খুঁজে পাই না।’

‘আমি দৃঢ়ভাবে বলতে পারি, বিএনপির সময় দেশে আইনের শাসন ছিল না। জননেত্রী শেখ হাসিনা যেদিন থেকে সরকার গঠন করেছেন, সেদিন থেকে বিচার ব্যবস্থা স্বাধীন।’

এর আগে আইনমন্ত্রী কসবা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর অফিসের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। এসময় অন্যদের মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক হায়ত-উদ-দৌলা খান, কসবা উপজেলা চেয়ারম্যান রাশেদুল কাউছার ভূইয়া জীবন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসিনা ইসলামসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

ঠাকুরগাঁয়ে বিজিবি’র উদ্দোগে আলোচনা ও মতবিনিময় সভা

রিজভী কী বলেন, আর কী বোঝেন- প্রশ্ন আইনমন্ত্রীর,

আপডেট টাইম ০৬:১৯:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৯

ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি::দুর্নীতির দুই মামলায় খালেদা জিয়ার সাজা এবং তার জামিনের বিষয়ে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীর মন্তব্যের জবাবে তার বোঝাপড়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। বলেন, ‘রিজভী নামে এক ভদ্রলোক আছেন, তিনি বেগম জিয়াকে নিয়ে কী বলেন, আর কী বোঝেন এ সম্পর্কে সকলের সন্দেহ আছে। তার সম্পর্কে আমি কিছু বলতে চাই না।’

শুক্রবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা চত্বরে এক অনুষ্ঠানের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নে আইনমন্ত্রীর এমন প্রতিক্রিয়া আসে।

দুর্নীতির দুই মামলায় ১৭ বছরের সাজা নিয়ে চৌদ্দ মাস ধরে কারাগারে আছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বিএনপি নেতাদের অভিযোগ, খালেদা জিয়াকে ‘রাজনীতি থেকে সরিয়ে দেওয়ার’ জন্যই মিথ্যা মামলায় সাজা দেওয়া হয়েছে।

দলটির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীকে বলব, দেশনেত্রীকে নিয়ে মাইনাস ফর্মুলা বন্ধ করুন। প্যারোলের নামে মাইনাস তত্ত্বের যে অশুভ চক্রান্ত চলছে, তাতে কোনও লাভ হবে না। আদালতের ওপর অবৈধ হস্তক্ষেপ বন্ধ হলেই আমাদের দেশনেত্রী আইনি প্রক্রিয়ায় জামিনে বেরিয়ে আসবেন।’

রিজভীর অভিযোগের বিষয়ে আইনমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে তিনি বলেন, ‘এতিমের টাকা চুরির জন্য খালেদা জিয়াকে নিম্ন আদালতে শাস্তি দেওয়া হয়েছে। সেই শাস্তির বিরুদ্ধে খালেদা জিয়া হাইকোর্টে আপিল করেছিলেন। সেখানে তাকে ৫ বছর থেকে ১০ বছর সাজা দেওয়া হয়েছে। এখানে সরকারের কোন হস্তক্ষেপ দেখা গেল আমি খুঁজে পাই না।’

‘আমি দৃঢ়ভাবে বলতে পারি, বিএনপির সময় দেশে আইনের শাসন ছিল না। জননেত্রী শেখ হাসিনা যেদিন থেকে সরকার গঠন করেছেন, সেদিন থেকে বিচার ব্যবস্থা স্বাধীন।’

এর আগে আইনমন্ত্রী কসবা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর অফিসের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। এসময় অন্যদের মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক হায়ত-উদ-দৌলা খান, কসবা উপজেলা চেয়ারম্যান রাশেদুল কাউছার ভূইয়া জীবন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার হাসিনা ইসলামসহ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।