ঢাকা ০৬:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ২৬ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
পীরগঞ্জে অবৈধভাবে পেট্রল মজুদকালে পাম্প মালিককে মোবাইল কোর্টে জরিমানা অনাদায়ে ৩ মাসের জেল স্বাস্থ্য-মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা অভিভাবকহীন পীরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,হুমকির মুখে স্বাস্থ্য সেবা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা, এডহক ডাক্তারের প্রভাবে প্রশ্নবিদ্ধ ঠাকুরগাঁওয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ–যেন দেখার কেউ নেই ঠাকুরগাঁওয়ে সড়ক বিভাগের একটি চিঠিতে আতঙ্কিত জমির মালিক চাপা উত্তেজনা পীরগঞ্জে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, এসপি বরাবর অভিযোগ পীরগঞ্জ আল-হাসানা স্কুল এন্ড কলেজের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ স্থাপেনর সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে : মির্জা ফখরুল কর্তব্যরত অবস্থায় ঠাকুরগায়ের পীরগঞ্জ থানার এক এএসআই’র মৃত্যু যখন গনতন্ত্র চাপা থাকে তখন উগ্রবাদী শক্তিগলোর উল্থন ঘটে,তারা মাথা চাড়া দিয়ে উঠে-ঠাকুরগায়ে মির্জা ফখরুল ঠাকুরগায়ের ৩ টি আসনেই বিএনপি’র বিজয়,প্রতিদ্বন্দিতা করেছে জামায়াত

নারীদেহের ফাঁদ!

ডেস্ক :: হানি ট্রাফ বা নারীদেহের ফাঁদ।  আর্জেন্টিনার বুয়েন্স এয়ারসের দুই যুবতী জিমেনা সোলাঙ্গে (২১) ও তারই বোন মাকারেনা অগাস্টিনা (২৩) এমনই ফাঁদ পেতেছিলেন। তাদের ফাঁদে ধরা পড়েছেন অনেক নারীলোভী পুরুষ। ফলে তাদেরকে মুক্তিপণ দিয়ে ওই ফাঁদ থেকে মুক্ত হতে হয়েছে। এমনই করে তারা কামিয়ে নিয়েছে হাজার হাজার পাউন্ড।

নিজেদের শরীরকে পুঁজি করে এমনই ফাঁদ পেতেছিলেন তারা। দলে সদস্য সংখ্যা মোট আট। এর মধ্যে বাকি ৬ জন পুরুষ। এদের মধ্যে আছে জিমেনার বয়ফ্রেন্ড টোপো ওজেদা।

দুই বোনের কাজ হলো পুরুষদের শিকার করে বিপথে পরিচালিত করা, তাদেরকে কোনো নিঃসঙ্গ স্থানে নিয়ে যাওয়া। বাকি কাজ ওই গ্যাংয়ের। তারাই চারপাশে ঘিরে থাকতো। শিকার তাদের ফাঁদে পা দিলেই অর্থদন্ড দিতে বাধ্য করতো তারা। এ জন্য তারা শিকার করা পুরুষকে অপহরণ করতো। মুক্তিপণ আদায় করতো। এই গ্রুপটি পাসো ডেল রে, মারলো, ইসিদ্রো কাসানোভা, লংচ্যাম্পস এবং ভিলা আলবার্তিনাতে তাদের কর্মকান্ড পরিচালনা করতো। পুলিশ খবর পেয়ে আর্জেন্টিনার বুয়েন্স এয়ারসের ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করেছে।

স্থানীয় মিডিয়ার রিপোর্টে বলা হয়েছে, তদন্তকারীরা প্রমাণ পেয়েছেন যে, ২০১৮ সালের নভেম্বরে পিনামার সমুদ্র সৈকতে একজন পুরুষকে শিকারে পরিণত করেছিলেন ওই দুই যুবতীর একজন। এরপর পরই তারা একটি প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এ বছরের মার্চে তারা ইতুজাইঙ্গোতে একটি বার-এ সাক্ষাত করতে রাজি হন। এতে উপস্থিত থাকার কথা বলা হয়, ওই যুবতীর বোন ও ওই পুরুষ ব্যবসায়ীর একজন বন্ধুর। তবে তাদের কারো নাম প্রকাশ করা হয় নি। ওই বার-এ তারা নির্ধারিত দিনে উপস্থিত হন। প্রায় দুই ঘন্টা কেটে যায়। এক পর্যায়ে দুই বোনের মধ্যে একজন বাসায় পৌঁছে দেয়ার কথা বলেন।

বারে যোগ দেয়া পুরুষদের একটি গাড়িতে করে তারা যাত্রা করেন ওই যুবতীর বাসায়। বাসার কাছে গিয়ে একজন যুবতী সঙ্গের পুরুষদের একজনকে নেমে আসতে বলেন, যেন তিনি তাকে বিদায়ী চুমু দিতে পারেন। তিনি গাড়ি থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গে সশস্ত্র কয়েকজন পুরুষ তাদেরকে ঘিরে ফেলে এবং ওই পুরুষকে তাদের গাড়িতে আটকে ফেলে। তার কাছে দাবি করা হয় ২০ লাখ আর্জেন্টাইন পেসো বা ৩৬,৭৮০ পাউন্ড। নারীদেহের ফাঁদে পড়া ওই দুই পুরুষ জানান, তাদের কাছে অতো অর্থ নেই। তবে তাদের কাছে স্থানীয় মুদ্রায় অতো অর্থ নেই। তবে তাদের কাছে ছিল ৬০ হাজার ডলার। এ কথা শোনার পর তাদেরকে নিয়ে যাওয়া হয় পুয়ের্তো মাদেরোতে একটি ফ্লাটে। সশস্ত্র প্রহরা বসানো হয়। তাদের কাছ থেকে ওই অর্থ হাতিয়ে নেয়ার পরই ওই দুই পুরুষকে মুক্তি দেয়া হয়। তাদের গাড়িটি পর্যন্ত নিয়ে যায় ওই গ্যাং। সঙ্গে নিয়ে যায় তাদের মোবাইল ফোনও।

এ ঘটনার শিকার ব্যক্তিরা পুলিশে অভিযোগ করেন। ফলে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। এ অবস্থায় ওই গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক থাকতে পারে এমন ১০টি বাড়ি তল্লাশির নির্দেশ দেন প্রসিকিউটর লিয়ানদ্রো ভেনট্রিসেলি। সেই অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয় ওই ৬ পুরুষ ও দুই যুবতীকে। তাদের বিরুদ্ধে ডাকাতি, অপহরণ সহ আরো বেশ কিছু অভিযোগ আনা হয়েছে।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

পীরগঞ্জে অবৈধভাবে পেট্রল মজুদকালে পাম্প মালিককে মোবাইল কোর্টে জরিমানা অনাদায়ে ৩ মাসের জেল

নারীদেহের ফাঁদ!

আপডেট টাইম ১২:৪০:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ জুন ২০১৯
ডেস্ক :: হানি ট্রাফ বা নারীদেহের ফাঁদ।  আর্জেন্টিনার বুয়েন্স এয়ারসের দুই যুবতী জিমেনা সোলাঙ্গে (২১) ও তারই বোন মাকারেনা অগাস্টিনা (২৩) এমনই ফাঁদ পেতেছিলেন। তাদের ফাঁদে ধরা পড়েছেন অনেক নারীলোভী পুরুষ। ফলে তাদেরকে মুক্তিপণ দিয়ে ওই ফাঁদ থেকে মুক্ত হতে হয়েছে। এমনই করে তারা কামিয়ে নিয়েছে হাজার হাজার পাউন্ড।

নিজেদের শরীরকে পুঁজি করে এমনই ফাঁদ পেতেছিলেন তারা। দলে সদস্য সংখ্যা মোট আট। এর মধ্যে বাকি ৬ জন পুরুষ। এদের মধ্যে আছে জিমেনার বয়ফ্রেন্ড টোপো ওজেদা।

দুই বোনের কাজ হলো পুরুষদের শিকার করে বিপথে পরিচালিত করা, তাদেরকে কোনো নিঃসঙ্গ স্থানে নিয়ে যাওয়া। বাকি কাজ ওই গ্যাংয়ের। তারাই চারপাশে ঘিরে থাকতো। শিকার তাদের ফাঁদে পা দিলেই অর্থদন্ড দিতে বাধ্য করতো তারা। এ জন্য তারা শিকার করা পুরুষকে অপহরণ করতো। মুক্তিপণ আদায় করতো। এই গ্রুপটি পাসো ডেল রে, মারলো, ইসিদ্রো কাসানোভা, লংচ্যাম্পস এবং ভিলা আলবার্তিনাতে তাদের কর্মকান্ড পরিচালনা করতো। পুলিশ খবর পেয়ে আর্জেন্টিনার বুয়েন্স এয়ারসের ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করেছে।

স্থানীয় মিডিয়ার রিপোর্টে বলা হয়েছে, তদন্তকারীরা প্রমাণ পেয়েছেন যে, ২০১৮ সালের নভেম্বরে পিনামার সমুদ্র সৈকতে একজন পুরুষকে শিকারে পরিণত করেছিলেন ওই দুই যুবতীর একজন। এরপর পরই তারা একটি প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এ বছরের মার্চে তারা ইতুজাইঙ্গোতে একটি বার-এ সাক্ষাত করতে রাজি হন। এতে উপস্থিত থাকার কথা বলা হয়, ওই যুবতীর বোন ও ওই পুরুষ ব্যবসায়ীর একজন বন্ধুর। তবে তাদের কারো নাম প্রকাশ করা হয় নি। ওই বার-এ তারা নির্ধারিত দিনে উপস্থিত হন। প্রায় দুই ঘন্টা কেটে যায়। এক পর্যায়ে দুই বোনের মধ্যে একজন বাসায় পৌঁছে দেয়ার কথা বলেন।

বারে যোগ দেয়া পুরুষদের একটি গাড়িতে করে তারা যাত্রা করেন ওই যুবতীর বাসায়। বাসার কাছে গিয়ে একজন যুবতী সঙ্গের পুরুষদের একজনকে নেমে আসতে বলেন, যেন তিনি তাকে বিদায়ী চুমু দিতে পারেন। তিনি গাড়ি থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গে সশস্ত্র কয়েকজন পুরুষ তাদেরকে ঘিরে ফেলে এবং ওই পুরুষকে তাদের গাড়িতে আটকে ফেলে। তার কাছে দাবি করা হয় ২০ লাখ আর্জেন্টাইন পেসো বা ৩৬,৭৮০ পাউন্ড। নারীদেহের ফাঁদে পড়া ওই দুই পুরুষ জানান, তাদের কাছে অতো অর্থ নেই। তবে তাদের কাছে স্থানীয় মুদ্রায় অতো অর্থ নেই। তবে তাদের কাছে ছিল ৬০ হাজার ডলার। এ কথা শোনার পর তাদেরকে নিয়ে যাওয়া হয় পুয়ের্তো মাদেরোতে একটি ফ্লাটে। সশস্ত্র প্রহরা বসানো হয়। তাদের কাছ থেকে ওই অর্থ হাতিয়ে নেয়ার পরই ওই দুই পুরুষকে মুক্তি দেয়া হয়। তাদের গাড়িটি পর্যন্ত নিয়ে যায় ওই গ্যাং। সঙ্গে নিয়ে যায় তাদের মোবাইল ফোনও।

এ ঘটনার শিকার ব্যক্তিরা পুলিশে অভিযোগ করেন। ফলে তদন্ত শুরু করে পুলিশ। এ অবস্থায় ওই গ্যাংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক থাকতে পারে এমন ১০টি বাড়ি তল্লাশির নির্দেশ দেন প্রসিকিউটর লিয়ানদ্রো ভেনট্রিসেলি। সেই অভিযানে গ্রেপ্তার করা হয় ওই ৬ পুরুষ ও দুই যুবতীকে। তাদের বিরুদ্ধে ডাকাতি, অপহরণ সহ আরো বেশ কিছু অভিযোগ আনা হয়েছে।