ঢাকা ১১:০১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
পীরগঞ্জে অবৈধভাবে পেট্রল মজুদকালে পাম্প মালিককে মোবাইল কোর্টে জরিমানা অনাদায়ে ৩ মাসের জেল স্বাস্থ্য-মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা অভিভাবকহীন পীরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,হুমকির মুখে স্বাস্থ্য সেবা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা, এডহক ডাক্তারের প্রভাবে প্রশ্নবিদ্ধ ঠাকুরগাঁওয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ–যেন দেখার কেউ নেই ঠাকুরগাঁওয়ে সড়ক বিভাগের একটি চিঠিতে আতঙ্কিত জমির মালিক চাপা উত্তেজনা পীরগঞ্জে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, এসপি বরাবর অভিযোগ পীরগঞ্জ আল-হাসানা স্কুল এন্ড কলেজের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ স্থাপেনর সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে : মির্জা ফখরুল কর্তব্যরত অবস্থায় ঠাকুরগায়ের পীরগঞ্জ থানার এক এএসআই’র মৃত্যু যখন গনতন্ত্র চাপা থাকে তখন উগ্রবাদী শক্তিগলোর উল্থন ঘটে,তারা মাথা চাড়া দিয়ে উঠে-ঠাকুরগায়ে মির্জা ফখরুল ঠাকুরগায়ের ৩ টি আসনেই বিএনপি’র বিজয়,প্রতিদ্বন্দিতা করেছে জামায়াত

চা বিক্রি করে মাসে ১২ লাখ আয়

সারাদিন ডেস্ক:: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একসময় চায়ের দোকানে কাজ করতেন। নীল চোখের পাকিস্তানের চাওয়ালার কথাও আমরা শুনেছি। এবার ভারতের মহারাষ্ট্রের পুনের নাভনাথ ইউলের চা বিক্রির গল্প শুনব।

চা বিক্রি করে আর কতই বা আয় করা যায়। কিন্তু চা বিক্রেতা লাখোপতি হয়েছেন এমন নজির আছে। তবে তাই বলে চা বিক্রি করে মাসে ১২ লাখ আয়—এমন খবর কমই শোনা যায়। ২০১১ সালে চা বিক্রি শুরু করে এখন মাসে ১২ লাখ রুপি আয় করেন ভারতের মহারাষ্ট্রের পুনের নাভনাথ ইউল।

আউটলুক ইন্ডিয়া ও টাইমস নাউয়ের খবরে বলা হয়েছে, কয়েক বছর আগে ভারতের মহারাষ্ট্রের পুনে শহরে চায়ের দোকান দিয়ে রোজগার শুরু করেছিলেন নাভনাথ ইউল নামের এক ব্যক্তি। শুরুতে রোজগার ছিল খুবই কম। তা দিয়ে সংসার চালানোই কঠিন ছিল। কিন্তু হার না মেনে ধীরে ধীরে নিজের ব্যবসায় মনোনিবেশ করেন ইউল। সাফল্য আসতে শুরু করে। পাশাপাশি তাঁর দোকানে ক্রেতাদের জন্য থাকে নানা ধরনের চা। এখন পুনে শহরে তিনটি চায়ের স্টল আছে ইউলের। প্রতিটি স্টলে কাজ করেন ১২ জন করে কর্মী। আর কঠোর পরিশ্রম শেষে এখন মাসে তাঁর আয় ১০ থেকে ১২ লাখ পর্যন্ত ভারতীয় রুপি। দিনের হিসেবে সেই আয় ৪০ হাজার রুপির মতো।

চা বিক্রি করে নাভনাথ ইউলের আয় মাসে ১২ লাখ রুপি।চা বিক্রি করে নাভনাথ ইউলের আয় মাসে ১২ লাখ রুপি।পুনেতে তিনটি চায়ের আউটলেটের মালিক নাভনাথ ইউলের দাবি, চায়ের দোকান করে এ পর্যায়ে ব্যবসা করা সম্ভব খুব সহজেই। কিন্তু তার জন্য প্রয়োজন কঠোর পরিশ্রম। আগামী দিনে তিনি ভারতের বাইরেও নিজের চায়ের স্টল খুলতে চান। দূর করতে চান অনেকের বেকারত্ব।

নাভনাথ ইউল বলেন, ‘২০১১ সালে ব্যবসা শুরুর পরই আমার মনে হয়েছে, নতুনভাবে কিছু করা দরকার। পুনেতে অনেক কিছুই আছে, কিন্তু কোনো ভালো ব্র্যান্ডের চায়ের দোকান নেই। অনেকে চা খেতে পছন্দ করেন, কিন্তু তাঁদের জন্য চায়ের ভালো দোকান নেই। চার বছর ধরে নানা গবেষণার পর আমি গুণগত মানের চা ক্রেতাদের সরবরাহ শুরু করি। মানের সঙ্গে আপস করিনি।’

ইউলের চায়ের একেকটি আউটলেটে প্রতিদিন তিন থেকে চার হাজার কাপ চা বিক্রি হয়। অনেক সময় লোকের লম্বা সারিও দেখা যায়।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

পীরগঞ্জে অবৈধভাবে পেট্রল মজুদকালে পাম্প মালিককে মোবাইল কোর্টে জরিমানা অনাদায়ে ৩ মাসের জেল

চা বিক্রি করে মাসে ১২ লাখ আয়

আপডেট টাইম ০৪:৫৫:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মার্চ ২০১৮

সারাদিন ডেস্ক:: ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি একসময় চায়ের দোকানে কাজ করতেন। নীল চোখের পাকিস্তানের চাওয়ালার কথাও আমরা শুনেছি। এবার ভারতের মহারাষ্ট্রের পুনের নাভনাথ ইউলের চা বিক্রির গল্প শুনব।

চা বিক্রি করে আর কতই বা আয় করা যায়। কিন্তু চা বিক্রেতা লাখোপতি হয়েছেন এমন নজির আছে। তবে তাই বলে চা বিক্রি করে মাসে ১২ লাখ আয়—এমন খবর কমই শোনা যায়। ২০১১ সালে চা বিক্রি শুরু করে এখন মাসে ১২ লাখ রুপি আয় করেন ভারতের মহারাষ্ট্রের পুনের নাভনাথ ইউল।

আউটলুক ইন্ডিয়া ও টাইমস নাউয়ের খবরে বলা হয়েছে, কয়েক বছর আগে ভারতের মহারাষ্ট্রের পুনে শহরে চায়ের দোকান দিয়ে রোজগার শুরু করেছিলেন নাভনাথ ইউল নামের এক ব্যক্তি। শুরুতে রোজগার ছিল খুবই কম। তা দিয়ে সংসার চালানোই কঠিন ছিল। কিন্তু হার না মেনে ধীরে ধীরে নিজের ব্যবসায় মনোনিবেশ করেন ইউল। সাফল্য আসতে শুরু করে। পাশাপাশি তাঁর দোকানে ক্রেতাদের জন্য থাকে নানা ধরনের চা। এখন পুনে শহরে তিনটি চায়ের স্টল আছে ইউলের। প্রতিটি স্টলে কাজ করেন ১২ জন করে কর্মী। আর কঠোর পরিশ্রম শেষে এখন মাসে তাঁর আয় ১০ থেকে ১২ লাখ পর্যন্ত ভারতীয় রুপি। দিনের হিসেবে সেই আয় ৪০ হাজার রুপির মতো।

চা বিক্রি করে নাভনাথ ইউলের আয় মাসে ১২ লাখ রুপি।চা বিক্রি করে নাভনাথ ইউলের আয় মাসে ১২ লাখ রুপি।পুনেতে তিনটি চায়ের আউটলেটের মালিক নাভনাথ ইউলের দাবি, চায়ের দোকান করে এ পর্যায়ে ব্যবসা করা সম্ভব খুব সহজেই। কিন্তু তার জন্য প্রয়োজন কঠোর পরিশ্রম। আগামী দিনে তিনি ভারতের বাইরেও নিজের চায়ের স্টল খুলতে চান। দূর করতে চান অনেকের বেকারত্ব।

নাভনাথ ইউল বলেন, ‘২০১১ সালে ব্যবসা শুরুর পরই আমার মনে হয়েছে, নতুনভাবে কিছু করা দরকার। পুনেতে অনেক কিছুই আছে, কিন্তু কোনো ভালো ব্র্যান্ডের চায়ের দোকান নেই। অনেকে চা খেতে পছন্দ করেন, কিন্তু তাঁদের জন্য চায়ের ভালো দোকান নেই। চার বছর ধরে নানা গবেষণার পর আমি গুণগত মানের চা ক্রেতাদের সরবরাহ শুরু করি। মানের সঙ্গে আপস করিনি।’

ইউলের চায়ের একেকটি আউটলেটে প্রতিদিন তিন থেকে চার হাজার কাপ চা বিক্রি হয়। অনেক সময় লোকের লম্বা সারিও দেখা যায়।