সংবাদ শিরোনাম
তারেক রহমানের নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ দ্রুত সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে- মির্জা ফখরুল ঠাকুরগাঁওয়ে দাম্পত্য কলহের জেরে ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধুর মৃত্যু, স্বামী পলাতক সাংবাদিকতার চাইতে চ্যালেঞ্জিং পেশা আর নেই-মির্জা ফখরুল পীরগঞ্জ প্রাণিসম্পদ দপ্তরে নির্ধারিত ৫শ৪৬ খামারীর মাঝে পশুখাদ্য ও উপকরণ বিতরণ পীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদে এমপি’র অফিস উদ্বোধন পীরগঞ্জে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে স্থানীয় এমপি;র মত-বিনীময় সভা অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলের ১ম ত্রৈ-মাসিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত পীরগঞ্জে সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৩ কিলোমিটার খাল-খনন প্রকল্পের উদ্বোধন পীরগঞ্জে পূর্ব চৌরাস্তা ব্যাবসায়ী সমিতি নির্বাচন-রব্বানী সভাপতি, রাজা সম্পাদক পীরগঞ্জে সিসি ক্যামেরার আওতায় নকলমুক্ত পরিবেশে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

এলটিটিইর প্রধান ভেলুপিল্লাই প্রভাকরণের মৃত্যুর খবরে খুশি হতে পারেননি রাহুল গান্ধী

আজম রেহমান,সারাদিন ডেস্ক::শ্রীলঙ্কার বিচ্ছিন্নতাবাদী লিবারেশন টাইগার্স অব তামিল ইলমের (এলটিটিই) কর্মীর বোমায় ১৯৯১ সালে নিহত হন ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। সেই এলটিটিইর প্রধান ভেলুপিল্লাই প্রভাকরণের মৃত্যুর খবরে খুশি হতে পারেননি রাজীব গান্ধীর ছেলে কংগ্রেসের প্রধান রাহুল গান্ধী। বরং কেমন যেন একটা খারাপ লাগা ভর করেছিল তাঁর ও বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর ওপর।

সিঙ্গাপুরে গত শুক্রবার এক অনুষ্ঠানে ঘণ্টাব্যাপী প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে এমন কথাই জানালেন রাহুল গান্ধী। গতকাল রোববার কংগ্রেসের টুইটারে এটি পোস্ট করা হয়।
১৯৮৪ সালে রাজীবের মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী নিহত হন নিজের দেহরক্ষীদের হাতে। রাহুল বলেন, ‘দাদি ও বাবা যে মারা পড়বেন, সেটা আমরা জানতাম। দাদি বলতেন, তিনি মারা পড়বেন। বাবাও একইভাবে বলতেন। রাজনীতিতে আপনি যখন অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে কিছু করবেন, ভালো কিছুর জন্য দাঁড়াবেন; তখন আপনাকে মরতে হবে।’

রাহুল বলেন, ২০০৯ সালে প্রভাকরণের মৃতদেহের ফুটেজ টেলিভিশনের পর্দায় দেখে তাঁর দুটি অনুভূতি হয়েছিল। তাঁর ভাষায়, ‘আমার মনে হয়েছিল লোকটার মৃতদেহকে এভাবে অপমান করা হচ্ছে কেন। এরপর তাঁর পরিবার ও বাচ্চাদের জন্য আমার ভীষণ খারাপ লাগছিল। আমি তখন বোনের সঙ্গে ফোনে কথা বললাম। বললাম, তিনি আমার বাবাকে মেরেছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে আমার খুশি হওয়া উচিত, কিন্তু আমি খুশি হতে পারছি না। প্রিয়াঙ্কা তখন বললেন যে তাঁরও ঠিক একই অনুভূতি হচ্ছে।’

রাহুলের প্রতি প্রথম প্রশ্নটাই ছিল-গান্ধী-নেহরু পরিবারের একজন হিসেবে তো তিনি বাড়তি সুবিধা পান। উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমি বিশেষ সুবিধা পাই। তবে কঠিন পথ পাড়ি দিতে হয়নি, তা নয়।’ তখন দাদি আর বাবার মৃত্যুর বিষয়টি নিয়ে তিনি কথা বলতে শুরু করেন। বলেন, তিনি ও তাঁর বোন প্রিয়াঙ্কা বাবার হত্যাকারীদের ক্ষমা করে দিয়েছেন। তাঁর ভাষায়, ‘বহু বছর আমরা হতাশ ও আহত ছিলাম। কিন্তু যেভাবেই হোক আমরা তাদের পুরোপুরি ক্ষমা করে দিতে পেরেছি।’ কথাটা শুনে উপস্থিত সবাই তখন তুমুল করতালি দেন।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

তারেক রহমানের নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ দ্রুত সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে- মির্জা ফখরুল

এলটিটিইর প্রধান ভেলুপিল্লাই প্রভাকরণের মৃত্যুর খবরে খুশি হতে পারেননি রাহুল গান্ধী

আপডেট টাইম ০৭:১৪:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মার্চ ২০১৮

আজম রেহমান,সারাদিন ডেস্ক::শ্রীলঙ্কার বিচ্ছিন্নতাবাদী লিবারেশন টাইগার্স অব তামিল ইলমের (এলটিটিই) কর্মীর বোমায় ১৯৯১ সালে নিহত হন ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। সেই এলটিটিইর প্রধান ভেলুপিল্লাই প্রভাকরণের মৃত্যুর খবরে খুশি হতে পারেননি রাজীব গান্ধীর ছেলে কংগ্রেসের প্রধান রাহুল গান্ধী। বরং কেমন যেন একটা খারাপ লাগা ভর করেছিল তাঁর ও বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর ওপর।

সিঙ্গাপুরে গত শুক্রবার এক অনুষ্ঠানে ঘণ্টাব্যাপী প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে এমন কথাই জানালেন রাহুল গান্ধী। গতকাল রোববার কংগ্রেসের টুইটারে এটি পোস্ট করা হয়।
১৯৮৪ সালে রাজীবের মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী নিহত হন নিজের দেহরক্ষীদের হাতে। রাহুল বলেন, ‘দাদি ও বাবা যে মারা পড়বেন, সেটা আমরা জানতাম। দাদি বলতেন, তিনি মারা পড়বেন। বাবাও একইভাবে বলতেন। রাজনীতিতে আপনি যখন অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে কিছু করবেন, ভালো কিছুর জন্য দাঁড়াবেন; তখন আপনাকে মরতে হবে।’

রাহুল বলেন, ২০০৯ সালে প্রভাকরণের মৃতদেহের ফুটেজ টেলিভিশনের পর্দায় দেখে তাঁর দুটি অনুভূতি হয়েছিল। তাঁর ভাষায়, ‘আমার মনে হয়েছিল লোকটার মৃতদেহকে এভাবে অপমান করা হচ্ছে কেন। এরপর তাঁর পরিবার ও বাচ্চাদের জন্য আমার ভীষণ খারাপ লাগছিল। আমি তখন বোনের সঙ্গে ফোনে কথা বললাম। বললাম, তিনি আমার বাবাকে মেরেছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে আমার খুশি হওয়া উচিত, কিন্তু আমি খুশি হতে পারছি না। প্রিয়াঙ্কা তখন বললেন যে তাঁরও ঠিক একই অনুভূতি হচ্ছে।’

রাহুলের প্রতি প্রথম প্রশ্নটাই ছিল-গান্ধী-নেহরু পরিবারের একজন হিসেবে তো তিনি বাড়তি সুবিধা পান। উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমি বিশেষ সুবিধা পাই। তবে কঠিন পথ পাড়ি দিতে হয়নি, তা নয়।’ তখন দাদি আর বাবার মৃত্যুর বিষয়টি নিয়ে তিনি কথা বলতে শুরু করেন। বলেন, তিনি ও তাঁর বোন প্রিয়াঙ্কা বাবার হত্যাকারীদের ক্ষমা করে দিয়েছেন। তাঁর ভাষায়, ‘বহু বছর আমরা হতাশ ও আহত ছিলাম। কিন্তু যেভাবেই হোক আমরা তাদের পুরোপুরি ক্ষমা করে দিতে পেরেছি।’ কথাটা শুনে উপস্থিত সবাই তখন তুমুল করতালি দেন।