ঢাকা ১০:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৩ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ঠাকুরগাঁয়ে বিজিবি’র উদ্দোগে আলোচনা ও মতবিনিময় সভা সাংবাদিক বিপ্লবের উপর হামলা মামলার আসামীরা গ্রেপ্তার হচ্ছেনা পীরগঞ্জে শহীদ জমিদার পরিবারের পক্ষে কুরানখানী ও মিলাদমাহফিল চাঞ্চল্যকর আকরাম হত্যা মামলা তদন্তে পুলিশের বানিজ্য-মামলা ভিন্নখাতে প্রবাহের চেষ্টা পীরগঞ্জে নিয়োগ বাণিজ্যের প্রতিবাদে মানববন্ধন হিমালয় সংলগ্ন জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে নেই আবহাওয়া অফিস ঠাকুরগাঁওয়ে প্রাইমারীর ভাইভা পরীক্ষা দিতে গিয়ে ২ চাকরীপ্রার্থী আটক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা দিতে এসে ধরা খেলেন চাকরিপ্রার্থী।  ৪৬৮ এমপি এখনো বহাল সংসদ-সদস্যের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক জীবনে আপনি সত্যিকারের সুখী কি না যেভাবে বুঝবেন

এলটিটিইর প্রধান ভেলুপিল্লাই প্রভাকরণের মৃত্যুর খবরে খুশি হতে পারেননি রাহুল গান্ধী

আজম রেহমান,সারাদিন ডেস্ক::শ্রীলঙ্কার বিচ্ছিন্নতাবাদী লিবারেশন টাইগার্স অব তামিল ইলমের (এলটিটিই) কর্মীর বোমায় ১৯৯১ সালে নিহত হন ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। সেই এলটিটিইর প্রধান ভেলুপিল্লাই প্রভাকরণের মৃত্যুর খবরে খুশি হতে পারেননি রাজীব গান্ধীর ছেলে কংগ্রেসের প্রধান রাহুল গান্ধী। বরং কেমন যেন একটা খারাপ লাগা ভর করেছিল তাঁর ও বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর ওপর।

সিঙ্গাপুরে গত শুক্রবার এক অনুষ্ঠানে ঘণ্টাব্যাপী প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে এমন কথাই জানালেন রাহুল গান্ধী। গতকাল রোববার কংগ্রেসের টুইটারে এটি পোস্ট করা হয়।
১৯৮৪ সালে রাজীবের মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী নিহত হন নিজের দেহরক্ষীদের হাতে। রাহুল বলেন, ‘দাদি ও বাবা যে মারা পড়বেন, সেটা আমরা জানতাম। দাদি বলতেন, তিনি মারা পড়বেন। বাবাও একইভাবে বলতেন। রাজনীতিতে আপনি যখন অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে কিছু করবেন, ভালো কিছুর জন্য দাঁড়াবেন; তখন আপনাকে মরতে হবে।’

রাহুল বলেন, ২০০৯ সালে প্রভাকরণের মৃতদেহের ফুটেজ টেলিভিশনের পর্দায় দেখে তাঁর দুটি অনুভূতি হয়েছিল। তাঁর ভাষায়, ‘আমার মনে হয়েছিল লোকটার মৃতদেহকে এভাবে অপমান করা হচ্ছে কেন। এরপর তাঁর পরিবার ও বাচ্চাদের জন্য আমার ভীষণ খারাপ লাগছিল। আমি তখন বোনের সঙ্গে ফোনে কথা বললাম। বললাম, তিনি আমার বাবাকে মেরেছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে আমার খুশি হওয়া উচিত, কিন্তু আমি খুশি হতে পারছি না। প্রিয়াঙ্কা তখন বললেন যে তাঁরও ঠিক একই অনুভূতি হচ্ছে।’

রাহুলের প্রতি প্রথম প্রশ্নটাই ছিল-গান্ধী-নেহরু পরিবারের একজন হিসেবে তো তিনি বাড়তি সুবিধা পান। উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমি বিশেষ সুবিধা পাই। তবে কঠিন পথ পাড়ি দিতে হয়নি, তা নয়।’ তখন দাদি আর বাবার মৃত্যুর বিষয়টি নিয়ে তিনি কথা বলতে শুরু করেন। বলেন, তিনি ও তাঁর বোন প্রিয়াঙ্কা বাবার হত্যাকারীদের ক্ষমা করে দিয়েছেন। তাঁর ভাষায়, ‘বহু বছর আমরা হতাশ ও আহত ছিলাম। কিন্তু যেভাবেই হোক আমরা তাদের পুরোপুরি ক্ষমা করে দিতে পেরেছি।’ কথাটা শুনে উপস্থিত সবাই তখন তুমুল করতালি দেন।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

ঠাকুরগাঁয়ে বিজিবি’র উদ্দোগে আলোচনা ও মতবিনিময় সভা

এলটিটিইর প্রধান ভেলুপিল্লাই প্রভাকরণের মৃত্যুর খবরে খুশি হতে পারেননি রাহুল গান্ধী

আপডেট টাইম ০৭:১৪:২১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ মার্চ ২০১৮

আজম রেহমান,সারাদিন ডেস্ক::শ্রীলঙ্কার বিচ্ছিন্নতাবাদী লিবারেশন টাইগার্স অব তামিল ইলমের (এলটিটিই) কর্মীর বোমায় ১৯৯১ সালে নিহত হন ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী। সেই এলটিটিইর প্রধান ভেলুপিল্লাই প্রভাকরণের মৃত্যুর খবরে খুশি হতে পারেননি রাজীব গান্ধীর ছেলে কংগ্রেসের প্রধান রাহুল গান্ধী। বরং কেমন যেন একটা খারাপ লাগা ভর করেছিল তাঁর ও বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর ওপর।

সিঙ্গাপুরে গত শুক্রবার এক অনুষ্ঠানে ঘণ্টাব্যাপী প্রশ্নোত্তর পর্বে অংশ নিয়ে এমন কথাই জানালেন রাহুল গান্ধী। গতকাল রোববার কংগ্রেসের টুইটারে এটি পোস্ট করা হয়।
১৯৮৪ সালে রাজীবের মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী নিহত হন নিজের দেহরক্ষীদের হাতে। রাহুল বলেন, ‘দাদি ও বাবা যে মারা পড়বেন, সেটা আমরা জানতাম। দাদি বলতেন, তিনি মারা পড়বেন। বাবাও একইভাবে বলতেন। রাজনীতিতে আপনি যখন অশুভ শক্তির বিরুদ্ধে কিছু করবেন, ভালো কিছুর জন্য দাঁড়াবেন; তখন আপনাকে মরতে হবে।’

রাহুল বলেন, ২০০৯ সালে প্রভাকরণের মৃতদেহের ফুটেজ টেলিভিশনের পর্দায় দেখে তাঁর দুটি অনুভূতি হয়েছিল। তাঁর ভাষায়, ‘আমার মনে হয়েছিল লোকটার মৃতদেহকে এভাবে অপমান করা হচ্ছে কেন। এরপর তাঁর পরিবার ও বাচ্চাদের জন্য আমার ভীষণ খারাপ লাগছিল। আমি তখন বোনের সঙ্গে ফোনে কথা বললাম। বললাম, তিনি আমার বাবাকে মেরেছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে আমার খুশি হওয়া উচিত, কিন্তু আমি খুশি হতে পারছি না। প্রিয়াঙ্কা তখন বললেন যে তাঁরও ঠিক একই অনুভূতি হচ্ছে।’

রাহুলের প্রতি প্রথম প্রশ্নটাই ছিল-গান্ধী-নেহরু পরিবারের একজন হিসেবে তো তিনি বাড়তি সুবিধা পান। উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমি বিশেষ সুবিধা পাই। তবে কঠিন পথ পাড়ি দিতে হয়নি, তা নয়।’ তখন দাদি আর বাবার মৃত্যুর বিষয়টি নিয়ে তিনি কথা বলতে শুরু করেন। বলেন, তিনি ও তাঁর বোন প্রিয়াঙ্কা বাবার হত্যাকারীদের ক্ষমা করে দিয়েছেন। তাঁর ভাষায়, ‘বহু বছর আমরা হতাশ ও আহত ছিলাম। কিন্তু যেভাবেই হোক আমরা তাদের পুরোপুরি ক্ষমা করে দিতে পেরেছি।’ কথাটা শুনে উপস্থিত সবাই তখন তুমুল করতালি দেন।