সংবাদ শিরোনাম
পীরগঞ্জে ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত চেরকুঘাট সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন চেরকুঘাট সেতুর উদ্বোধন করলেন এমপি জাহিদুর ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলে অন্ত: প্রতিযোগীতা ইংলিশ অলিম্পিয়ার্ড ও বিজ্ঞান উৎসবের উদ্বোধন পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর টিকা দেয়ার কারনে আজ দেশ থেকে গুটি বসন্ত রোগ চিরতরে বিদায় হয়েছে, তেমনি করে গরু ছাগলকেও টিকা দেয়ার বিকল্প নেই-ঠাকুরগাঁওয়ে লাইভষ্টক পরিচালক ডা: আব্দুল হাই সরকার ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন নৈতিক শিক্ষা আর নীতি আদর্শ না থাকলে কোনো শিক্ষাই জীবনে কাজে আসবেনা-আল-হাসানাহ পরিচালক মিম ঠাকুরগাঁওয়ে ‘এন্টি-মাইক্রোবিয়াল রেজিস্টেন্স’ রোধে প্রাণিসম্পদ বিভাগের মতবিনিময় সভা ঠাকুরগাঁওয়ের হবি গরুর খামার করে এখন চিজ ফ্যাক্টরীর মালিক পীরগঞ্জে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কর্মশালা পীরগঞ্জে নাশকতা চেষ্টার অভিযোগে ২ জন আটক

বঙ্গবন্ধুকে অসম্মান : সোশ্যাল মিডিয়ায় নিন্দার ঝড়

রাজধানীর কারওয়ানবাজারের পান্থকুঞ্জ পার্কে টানানো বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ সম্বলিত ব্যানার কেটে বিকৃত করে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা। বুধবার রাতের কোনো এক সময়ে এ অপকর্মটি করা হয়।

 

রাত ২টা ২৮ মিনিটে অনলাইন নিউজ পোর্টাল বিবার্তা২৪.নেট-এ ‘জাতির জন্য এ বিরাট অসম্মান!’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিশেষ করে ফেসবুকে বিষয়টি নিয়ে নিন্দা ও সমালোচনার ঝড় ওঠে। বিবার্তার অগণিত পাঠক তাদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে অসংখ্য স্ট্যাটাস দিয়েছেন। এমনই কিছু প্রতিক্রিয়া তুলো ধরা হলো-

 

লীনা পারভীন : ‘সাবধান হবার সময় এসেছে’ শীর্ষক শিরোনামের স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ১৯৭৫ এর ঘটনার আগে এ দেশে এতো মিডিয়া ছিলো না। প্রতিবাদের লোক ছিলো কম। কিন্তু এখন?

 

তিনি বিকৃত সেই ছবিটি দিয়ে লিখেছেন, হোটেল সোনারগাঁয়ের উল্টোপাশে পান্থকুঞ্জ পার্কের ছবি এটি। শহরের অন্যতম একটি ব্যস্ত রাস্তা যেখানে মাঝ রাত পর্যন্ত লোক চলাচল থাকে। বাংলাদেশে এ কোন ঘোর দুঃসময় আবার আসার ইঙ্গিত দিচ্ছে এই ছবিটি? জাতির জনকের অবমাননার আইনও আছে আমাদের দেশে। ছাড় দিতে দিতেই কিন্তু ৭৫ এসেছিলো। আর কত? সরকারের সমালোচনা করুন; কিন্তু গোটা ব্যানারটির মাঝে কেবল জাতির জনকের মাথার অংশটি কেটে ফেলার ইঙ্গিতটাকে উড়িয়ে দেবেন না প্লিজ।

 

খান আসাদুজ্জামান মাসুম : যশরাজ ও টিটু রায়রা কত বড় ভয়ংকর তাদের গ্রেফতার করে যে সব ড্রেস পরানো হলো আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এক খানা বিশাল কিছু করে ফেলছে। অথচ ঢাকার এতো একটা ব্যস্ততম গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার পাশে এতোবড় একটা ব্যানারের বঙ্গবন্ধু মাথার অংশটুকু কেঁটে ফেলতে পারে! এতো বড় একটা ঘটনা। আর আমাদের বাহিনীর কেরামতি কই? সিসি ক্যামেরা কই? কই টহল পুলিশ? কেবল রাতের বেলা সিএনজি মোটরসাইকেল ঠ্যাক দিয়ে মানুষ হয়রানি করা ছারা এদের কোনো কাজ যেন নেই? এটা ১৯৭৫ সাল নয়। এটা ২০১৭ সাল। এই সময় এসেও যদি বঙ্গবন্ধুর এমন অপমান দেখতে হবে, তবে ভেবে নেবেন শত্রুরা এখনো কতোটা সঙ্গবদ্ধ এবং মরণ কামড় দেয়ার জন্য ওঁৎপেতে আছে। তারই স্বাক্ষ্য বহন করে এমন ঘটনায়। সেহেতু সাবধান!

 

এফ এম শাহীন : আমরা যখন গর্বিত বাঙালি হিসেবে ৭ মার্চের ভাষণ ওয়ার্ল্ড ডকুমেন্টারি হেরিটেজ স্বীকৃতিতে সর্বস্তরের জনগণ এই বিরল গৌরব উদযাপন করছি… ঠিক তখনই রাজধানীর পান্থকুঞ্জ পার্কের সামনে থাকা ব্যানারগুলোর বঙ্গবন্ধুর ছবিটি এভাবে কাটা হয়েছে!
আমি নিশ্চিত জামায়াত-বিএনপির পাকি জারজ ছাড়া এই ঘৃণ্য কাজটি কেউ করতে পারে না।

 

সোহেল শাহরিয়ার : চারদিকে শুধু আওয়ামী লীগ আর আওয়ামী লীগ। চিন্তা করা যায়! আসলে এই নব্য আওয়ামী লীগ তারা কী করে বুঝবে কী ছিল এই ভাষণে। কী ছিল এই কথা গুলোতে… এই সবার আওয়ামী লীগের মধ্যে এমনটা হওয়া সত্যিই চিন্তার বিষয়।

 

গোলাম রাব্বানী : ঘৃণাভরা ধিক্কার। যে পাকিবীর্যের কুলাঙ্গাররা এই ন্যক্কারজনক কাজ করেছে! ছিঃ এরা জাতির কলঙ্ক! যারা জাতির জনককে অসম্মান করে তারা কার্যত সমগ্র জাতিকেই অসম্মান করে। এদেশে থাকার কোনো নৈতিক অধিকার তাদের নেই!

জামিল আক্তার : রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে এমন ঘটনা ঘটলো কীভাবে তা খুঁজে বের করার দায়িত্ব প্রশাসনের।

তনমী হোসেন : অকৃতজ্ঞ এক জাতি আমরা! জাতির পিতাতে সম্মান দিতে কষ্ট হয় আমাদের!

আনোয়ার হোসেন জীবন :লজ্জাজনক ঘটনা। আমি মরে যাই, বার বার মরি… এই অসহায়ত্বের যন্ত্রণায়।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

পীরগঞ্জে ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত চেরকুঘাট সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন চেরকুঘাট সেতুর উদ্বোধন করলেন এমপি জাহিদুর

বঙ্গবন্ধুকে অসম্মান : সোশ্যাল মিডিয়ায় নিন্দার ঝড়

আপডেট টাইম ০৫:২১:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ নভেম্বর ২০১৭

রাজধানীর কারওয়ানবাজারের পান্থকুঞ্জ পার্কে টানানো বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ সম্বলিত ব্যানার কেটে বিকৃত করে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা। বুধবার রাতের কোনো এক সময়ে এ অপকর্মটি করা হয়।

 

রাত ২টা ২৮ মিনিটে অনলাইন নিউজ পোর্টাল বিবার্তা২৪.নেট-এ ‘জাতির জন্য এ বিরাট অসম্মান!’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। এরপর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিশেষ করে ফেসবুকে বিষয়টি নিয়ে নিন্দা ও সমালোচনার ঝড় ওঠে। বিবার্তার অগণিত পাঠক তাদের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে অসংখ্য স্ট্যাটাস দিয়েছেন। এমনই কিছু প্রতিক্রিয়া তুলো ধরা হলো-

 

লীনা পারভীন : ‘সাবধান হবার সময় এসেছে’ শীর্ষক শিরোনামের স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ১৯৭৫ এর ঘটনার আগে এ দেশে এতো মিডিয়া ছিলো না। প্রতিবাদের লোক ছিলো কম। কিন্তু এখন?

 

তিনি বিকৃত সেই ছবিটি দিয়ে লিখেছেন, হোটেল সোনারগাঁয়ের উল্টোপাশে পান্থকুঞ্জ পার্কের ছবি এটি। শহরের অন্যতম একটি ব্যস্ত রাস্তা যেখানে মাঝ রাত পর্যন্ত লোক চলাচল থাকে। বাংলাদেশে এ কোন ঘোর দুঃসময় আবার আসার ইঙ্গিত দিচ্ছে এই ছবিটি? জাতির জনকের অবমাননার আইনও আছে আমাদের দেশে। ছাড় দিতে দিতেই কিন্তু ৭৫ এসেছিলো। আর কত? সরকারের সমালোচনা করুন; কিন্তু গোটা ব্যানারটির মাঝে কেবল জাতির জনকের মাথার অংশটি কেটে ফেলার ইঙ্গিতটাকে উড়িয়ে দেবেন না প্লিজ।

 

খান আসাদুজ্জামান মাসুম : যশরাজ ও টিটু রায়রা কত বড় ভয়ংকর তাদের গ্রেফতার করে যে সব ড্রেস পরানো হলো আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এক খানা বিশাল কিছু করে ফেলছে। অথচ ঢাকার এতো একটা ব্যস্ততম গুরুত্বপূর্ণ রাস্তার পাশে এতোবড় একটা ব্যানারের বঙ্গবন্ধু মাথার অংশটুকু কেঁটে ফেলতে পারে! এতো বড় একটা ঘটনা। আর আমাদের বাহিনীর কেরামতি কই? সিসি ক্যামেরা কই? কই টহল পুলিশ? কেবল রাতের বেলা সিএনজি মোটরসাইকেল ঠ্যাক দিয়ে মানুষ হয়রানি করা ছারা এদের কোনো কাজ যেন নেই? এটা ১৯৭৫ সাল নয়। এটা ২০১৭ সাল। এই সময় এসেও যদি বঙ্গবন্ধুর এমন অপমান দেখতে হবে, তবে ভেবে নেবেন শত্রুরা এখনো কতোটা সঙ্গবদ্ধ এবং মরণ কামড় দেয়ার জন্য ওঁৎপেতে আছে। তারই স্বাক্ষ্য বহন করে এমন ঘটনায়। সেহেতু সাবধান!

 

এফ এম শাহীন : আমরা যখন গর্বিত বাঙালি হিসেবে ৭ মার্চের ভাষণ ওয়ার্ল্ড ডকুমেন্টারি হেরিটেজ স্বীকৃতিতে সর্বস্তরের জনগণ এই বিরল গৌরব উদযাপন করছি… ঠিক তখনই রাজধানীর পান্থকুঞ্জ পার্কের সামনে থাকা ব্যানারগুলোর বঙ্গবন্ধুর ছবিটি এভাবে কাটা হয়েছে!
আমি নিশ্চিত জামায়াত-বিএনপির পাকি জারজ ছাড়া এই ঘৃণ্য কাজটি কেউ করতে পারে না।

 

সোহেল শাহরিয়ার : চারদিকে শুধু আওয়ামী লীগ আর আওয়ামী লীগ। চিন্তা করা যায়! আসলে এই নব্য আওয়ামী লীগ তারা কী করে বুঝবে কী ছিল এই ভাষণে। কী ছিল এই কথা গুলোতে… এই সবার আওয়ামী লীগের মধ্যে এমনটা হওয়া সত্যিই চিন্তার বিষয়।

 

গোলাম রাব্বানী : ঘৃণাভরা ধিক্কার। যে পাকিবীর্যের কুলাঙ্গাররা এই ন্যক্কারজনক কাজ করেছে! ছিঃ এরা জাতির কলঙ্ক! যারা জাতির জনককে অসম্মান করে তারা কার্যত সমগ্র জাতিকেই অসম্মান করে। এদেশে থাকার কোনো নৈতিক অধিকার তাদের নেই!

জামিল আক্তার : রাজধানীর প্রাণকেন্দ্রে এমন ঘটনা ঘটলো কীভাবে তা খুঁজে বের করার দায়িত্ব প্রশাসনের।

তনমী হোসেন : অকৃতজ্ঞ এক জাতি আমরা! জাতির পিতাতে সম্মান দিতে কষ্ট হয় আমাদের!

আনোয়ার হোসেন জীবন :লজ্জাজনক ঘটনা। আমি মরে যাই, বার বার মরি… এই অসহায়ত্বের যন্ত্রণায়।