সংবাদ শিরোনাম
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দিনাজপুর-৪২ বিজিবি’র উদ্যোগে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ দিনাজপুরে ৪২ বিজিবি’র বিশেষ অভিযান: বিরল সীমান্তে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ মাদক পাচারকারীরা প্রতিনিয়ত তাদের কৌশল পরিবর্তন করছে- ৪২ বিজিবি অধিনায়ক লেঃ কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান –বিজিবি’র অভিযানে ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুর  সীমান্তে ১ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট উদ্ধার পীরগঞ্জে মাদক ব্যবসার বাইক জালিয়ে দিলেন জনগন মির্জা ফয়সল-ব্যাংকের চাকরি ছেড়ে রাজনীতি,অত:পর ঠাকুরগাঁও-১ এর সংসদ সদস্য ৪২ বিজিবি’র অভিযানে ৫ জন আটক, বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার-‘মাদক শুধু একজন ব্যক্তিকে ধ্বংস করে না, বরং পরিবার ও সমাজের স্থিতিশীলতাকেও বিপন্ন করে- লেফটেন্যান্ট কর্নেল এম এম জিল্লুর রহমান মানবিকতা, সততা ও কর্মনিষ্ঠায় পীরগঞ্জ-বাসীর আস্থার প্রতীক ইউএনও গোলাম রব্বানী সরদার ৪২-বিজিবি দিনাজপুর ব্যাটালিয়ন এর বিশেষ অভিযান, বিরল সীমান্তে ভারতীয় মদ উদ্ধার ৪২-বিজিবি’র বিশেষ অভিযানে ঠাকুরগাঁও-দিনাজপুর সীমান্ত এলাকায় বিপুল পরিমাণ ভারতীয় মাদক উদ্ধার সীমান্তের ১৩ টি পূজা মন্ডবে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেছে ৪২ বিজিবির সদস্যরা

বই পড়ে, গান শুনে সময় কাটছে রুনা লায়লা’র

বিনোদন প্রতিবেদক::উপমহাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী ও সুরস্রষ্টা রুনা লায়লা। গত বছর করোনার কারণে যখন দেশব্যাপী লকডাউন শুরু হয়েছিলো সেই সময় থেকে এখন পর্যন্ত খুব জরুরী প্রয়োজন না হলে বের হননি বাসা থেকে। করোনা টিকা নেবার জন্য এবং স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী’তে পরপর দু’দিন স্টেজ শো’তে সঙ্গীত পরিবেশন করার জন্য বের হয়েছিলেন।

ঘরবন্দী এই সময়গুলো কীভাবে কাটাচ্ছেন? এমন প্রশ্নে রুনা লায়লা বলেন, ‘সবার মত আমারও ঘরে বসেই সময় কাটছে, তবে হ্যাঁ একেক জনের জীবন ধারা একেক রকম। আমি যেমন নিয়মিত বই পড়ি, গান শুনি। আবার এর পাশাপাশি কিছু নতুন নতুন সুরও সৃষ্টি করছি। কারণ এখনতো নতুন করে আমি গান সুর করছি বিধায় বলা যায় প্রতিনিয়তই নতুন নতুন সুর ভাবনায় আসছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘জানিনা কবে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। ইচ্ছে আছে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ইনশাআল্লাহ শুরুতেই লন্ডনে যাবো, আমার মেয়ে তানির কাছে। সেই যে গত বছর মার্চ মাসের শুরুতে এসে বাসায় বন্দী হয়েছি এরপর তো আর তেমন বাসা থেকে বের হইনি। তাই লন্ডনে যাবার জন্যই মনটা অস্থির হয়ে আছে। নাতি দু’জনকেও দেখতে খুব ইচ্ছে করছে, আদর করতে ইচ্ছে করছে। যদিও প্রতিনিয়ত হোয়াটসঅ্যাপে দেখছি কিন্তু তারপরও সামনাসামনি বসে দেখা, কথা বলার ভালো লাগাটুকু, আনন্দটুকুই অন্যরকম। দোয়া করি আল্লাহ যেন তাদের ভালো রাখেন, সুস্থ রাখেন। সবার প্রতি বিনীত অনুরোধ রইলো আপনারা সবাই সচেতন থাকবেন, নিরাপদে থাকবেন আর অবশ্যই জরুরী কাজে বাইরে বের হলে ভালোভাবে মাস্কটা পড়ে নিবেন।’

অবসরে নিজের গান শোনা হয় কী না, এমন প্রশ্নের জবাবে রুনা লায়লা বলেন,‘হ্যাঁ, অবশ্যই নিজের গানও শুনি। নতুন পুরোনো সব গানই শোনা হয়ে থাকে আমার। সেসব গানে নিজেরই ভুল ত্রুটিগুলো বের করার চেষ্টা করি। এমন গানও পাই যে নিজেরই আফসোস হয়, যে আরেকটু ভালো হলে আরো ভালো হতে পারতো।’

নিজের গানের বাইরে কার গান শোনা হয়, এমন কথার জবাবে এই কিংবদন্তি বলেন, ‘আমি আসলে সবার গানই শুনি। নির্দিষ্ট করে কারো নাম বলা যাবেনা। আবার অনেকের গান থেকে আমি নিজেও কিছু শেখার চেষ্টা করি। দেশের মধ্যে যাদের গান বেশি ভালো লাগে তাদের কিন্তু আমি নিজে থেকেই ফোন করে বা ম্যাসেজ দিয়ে অনুপ্রেরণাও দিয়ে থাকি।’

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে দিনাজপুর-৪২ বিজিবি’র উদ্যোগে রচনা ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

বই পড়ে, গান শুনে সময় কাটছে রুনা লায়লা’র

আপডেট টাইম ০৪:১৪:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১
বিনোদন প্রতিবেদক::উপমহাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী ও সুরস্রষ্টা রুনা লায়লা। গত বছর করোনার কারণে যখন দেশব্যাপী লকডাউন শুরু হয়েছিলো সেই সময় থেকে এখন পর্যন্ত খুব জরুরী প্রয়োজন না হলে বের হননি বাসা থেকে। করোনা টিকা নেবার জন্য এবং স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী’তে পরপর দু’দিন স্টেজ শো’তে সঙ্গীত পরিবেশন করার জন্য বের হয়েছিলেন।

ঘরবন্দী এই সময়গুলো কীভাবে কাটাচ্ছেন? এমন প্রশ্নে রুনা লায়লা বলেন, ‘সবার মত আমারও ঘরে বসেই সময় কাটছে, তবে হ্যাঁ একেক জনের জীবন ধারা একেক রকম। আমি যেমন নিয়মিত বই পড়ি, গান শুনি। আবার এর পাশাপাশি কিছু নতুন নতুন সুরও সৃষ্টি করছি। কারণ এখনতো নতুন করে আমি গান সুর করছি বিধায় বলা যায় প্রতিনিয়তই নতুন নতুন সুর ভাবনায় আসছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘জানিনা কবে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। ইচ্ছে আছে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ইনশাআল্লাহ শুরুতেই লন্ডনে যাবো, আমার মেয়ে তানির কাছে। সেই যে গত বছর মার্চ মাসের শুরুতে এসে বাসায় বন্দী হয়েছি এরপর তো আর তেমন বাসা থেকে বের হইনি। তাই লন্ডনে যাবার জন্যই মনটা অস্থির হয়ে আছে। নাতি দু’জনকেও দেখতে খুব ইচ্ছে করছে, আদর করতে ইচ্ছে করছে। যদিও প্রতিনিয়ত হোয়াটসঅ্যাপে দেখছি কিন্তু তারপরও সামনাসামনি বসে দেখা, কথা বলার ভালো লাগাটুকু, আনন্দটুকুই অন্যরকম। দোয়া করি আল্লাহ যেন তাদের ভালো রাখেন, সুস্থ রাখেন। সবার প্রতি বিনীত অনুরোধ রইলো আপনারা সবাই সচেতন থাকবেন, নিরাপদে থাকবেন আর অবশ্যই জরুরী কাজে বাইরে বের হলে ভালোভাবে মাস্কটা পড়ে নিবেন।’

অবসরে নিজের গান শোনা হয় কী না, এমন প্রশ্নের জবাবে রুনা লায়লা বলেন,‘হ্যাঁ, অবশ্যই নিজের গানও শুনি। নতুন পুরোনো সব গানই শোনা হয়ে থাকে আমার। সেসব গানে নিজেরই ভুল ত্রুটিগুলো বের করার চেষ্টা করি। এমন গানও পাই যে নিজেরই আফসোস হয়, যে আরেকটু ভালো হলে আরো ভালো হতে পারতো।’

নিজের গানের বাইরে কার গান শোনা হয়, এমন কথার জবাবে এই কিংবদন্তি বলেন, ‘আমি আসলে সবার গানই শুনি। নির্দিষ্ট করে কারো নাম বলা যাবেনা। আবার অনেকের গান থেকে আমি নিজেও কিছু শেখার চেষ্টা করি। দেশের মধ্যে যাদের গান বেশি ভালো লাগে তাদের কিন্তু আমি নিজে থেকেই ফোন করে বা ম্যাসেজ দিয়ে অনুপ্রেরণাও দিয়ে থাকি।’