ঢাকা ০৫:৩২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬, ১৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা, এডহক ডাক্তারের প্রভাবে প্রশ্নবিদ্ধ ঠাকুরগাঁওয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ–যেন দেখার কেউ নেই ঠাকুরগাঁওয়ে সড়ক বিভাগের একটি চিঠিতে আতঙ্কিত জমির মালিক চাপা উত্তেজনা পীরগঞ্জে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, এসপি বরাবর অভিযোগ পীরগঞ্জ আল-হাসানা স্কুল এন্ড কলেজের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ স্থাপেনর সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে : মির্জা ফখরুল কর্তব্যরত অবস্থায় ঠাকুরগায়ের পীরগঞ্জ থানার এক এএসআই’র মৃত্যু যখন গনতন্ত্র চাপা থাকে তখন উগ্রবাদী শক্তিগলোর উল্থন ঘটে,তারা মাথা চাড়া দিয়ে উঠে-ঠাকুরগায়ে মির্জা ফখরুল ঠাকুরগায়ের ৩ টি আসনেই বিএনপি’র বিজয়,প্রতিদ্বন্দিতা করেছে জামায়াত ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির অর্ধ-কোটি টাকাসহ আটক,এলাকায় চাঞ্চল্য ঠাকুরগাঁয়ে হ্যাঁ ভোটের প্রচারনায় শ্রম উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার এম শাখাওয়াত

বই পড়ে, গান শুনে সময় কাটছে রুনা লায়লা’র

বিনোদন প্রতিবেদক::উপমহাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী ও সুরস্রষ্টা রুনা লায়লা। গত বছর করোনার কারণে যখন দেশব্যাপী লকডাউন শুরু হয়েছিলো সেই সময় থেকে এখন পর্যন্ত খুব জরুরী প্রয়োজন না হলে বের হননি বাসা থেকে। করোনা টিকা নেবার জন্য এবং স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী’তে পরপর দু’দিন স্টেজ শো’তে সঙ্গীত পরিবেশন করার জন্য বের হয়েছিলেন।

ঘরবন্দী এই সময়গুলো কীভাবে কাটাচ্ছেন? এমন প্রশ্নে রুনা লায়লা বলেন, ‘সবার মত আমারও ঘরে বসেই সময় কাটছে, তবে হ্যাঁ একেক জনের জীবন ধারা একেক রকম। আমি যেমন নিয়মিত বই পড়ি, গান শুনি। আবার এর পাশাপাশি কিছু নতুন নতুন সুরও সৃষ্টি করছি। কারণ এখনতো নতুন করে আমি গান সুর করছি বিধায় বলা যায় প্রতিনিয়তই নতুন নতুন সুর ভাবনায় আসছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘জানিনা কবে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। ইচ্ছে আছে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ইনশাআল্লাহ শুরুতেই লন্ডনে যাবো, আমার মেয়ে তানির কাছে। সেই যে গত বছর মার্চ মাসের শুরুতে এসে বাসায় বন্দী হয়েছি এরপর তো আর তেমন বাসা থেকে বের হইনি। তাই লন্ডনে যাবার জন্যই মনটা অস্থির হয়ে আছে। নাতি দু’জনকেও দেখতে খুব ইচ্ছে করছে, আদর করতে ইচ্ছে করছে। যদিও প্রতিনিয়ত হোয়াটসঅ্যাপে দেখছি কিন্তু তারপরও সামনাসামনি বসে দেখা, কথা বলার ভালো লাগাটুকু, আনন্দটুকুই অন্যরকম। দোয়া করি আল্লাহ যেন তাদের ভালো রাখেন, সুস্থ রাখেন। সবার প্রতি বিনীত অনুরোধ রইলো আপনারা সবাই সচেতন থাকবেন, নিরাপদে থাকবেন আর অবশ্যই জরুরী কাজে বাইরে বের হলে ভালোভাবে মাস্কটা পড়ে নিবেন।’

অবসরে নিজের গান শোনা হয় কী না, এমন প্রশ্নের জবাবে রুনা লায়লা বলেন,‘হ্যাঁ, অবশ্যই নিজের গানও শুনি। নতুন পুরোনো সব গানই শোনা হয়ে থাকে আমার। সেসব গানে নিজেরই ভুল ত্রুটিগুলো বের করার চেষ্টা করি। এমন গানও পাই যে নিজেরই আফসোস হয়, যে আরেকটু ভালো হলে আরো ভালো হতে পারতো।’

নিজের গানের বাইরে কার গান শোনা হয়, এমন কথার জবাবে এই কিংবদন্তি বলেন, ‘আমি আসলে সবার গানই শুনি। নির্দিষ্ট করে কারো নাম বলা যাবেনা। আবার অনেকের গান থেকে আমি নিজেও কিছু শেখার চেষ্টা করি। দেশের মধ্যে যাদের গান বেশি ভালো লাগে তাদের কিন্তু আমি নিজে থেকেই ফোন করে বা ম্যাসেজ দিয়ে অনুপ্রেরণাও দিয়ে থাকি।’

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা, এডহক ডাক্তারের প্রভাবে প্রশ্নবিদ্ধ ঠাকুরগাঁওয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ–যেন দেখার কেউ নেই

বই পড়ে, গান শুনে সময় কাটছে রুনা লায়লা’র

আপডেট টাইম ০৪:১৪:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১
বিনোদন প্রতিবেদক::উপমহাদেশের প্রখ্যাত সঙ্গীতশিল্পী ও সুরস্রষ্টা রুনা লায়লা। গত বছর করোনার কারণে যখন দেশব্যাপী লকডাউন শুরু হয়েছিলো সেই সময় থেকে এখন পর্যন্ত খুব জরুরী প্রয়োজন না হলে বের হননি বাসা থেকে। করোনা টিকা নেবার জন্য এবং স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী’তে পরপর দু’দিন স্টেজ শো’তে সঙ্গীত পরিবেশন করার জন্য বের হয়েছিলেন।

ঘরবন্দী এই সময়গুলো কীভাবে কাটাচ্ছেন? এমন প্রশ্নে রুনা লায়লা বলেন, ‘সবার মত আমারও ঘরে বসেই সময় কাটছে, তবে হ্যাঁ একেক জনের জীবন ধারা একেক রকম। আমি যেমন নিয়মিত বই পড়ি, গান শুনি। আবার এর পাশাপাশি কিছু নতুন নতুন সুরও সৃষ্টি করছি। কারণ এখনতো নতুন করে আমি গান সুর করছি বিধায় বলা যায় প্রতিনিয়তই নতুন নতুন সুর ভাবনায় আসছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘জানিনা কবে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। ইচ্ছে আছে করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে ইনশাআল্লাহ শুরুতেই লন্ডনে যাবো, আমার মেয়ে তানির কাছে। সেই যে গত বছর মার্চ মাসের শুরুতে এসে বাসায় বন্দী হয়েছি এরপর তো আর তেমন বাসা থেকে বের হইনি। তাই লন্ডনে যাবার জন্যই মনটা অস্থির হয়ে আছে। নাতি দু’জনকেও দেখতে খুব ইচ্ছে করছে, আদর করতে ইচ্ছে করছে। যদিও প্রতিনিয়ত হোয়াটসঅ্যাপে দেখছি কিন্তু তারপরও সামনাসামনি বসে দেখা, কথা বলার ভালো লাগাটুকু, আনন্দটুকুই অন্যরকম। দোয়া করি আল্লাহ যেন তাদের ভালো রাখেন, সুস্থ রাখেন। সবার প্রতি বিনীত অনুরোধ রইলো আপনারা সবাই সচেতন থাকবেন, নিরাপদে থাকবেন আর অবশ্যই জরুরী কাজে বাইরে বের হলে ভালোভাবে মাস্কটা পড়ে নিবেন।’

অবসরে নিজের গান শোনা হয় কী না, এমন প্রশ্নের জবাবে রুনা লায়লা বলেন,‘হ্যাঁ, অবশ্যই নিজের গানও শুনি। নতুন পুরোনো সব গানই শোনা হয়ে থাকে আমার। সেসব গানে নিজেরই ভুল ত্রুটিগুলো বের করার চেষ্টা করি। এমন গানও পাই যে নিজেরই আফসোস হয়, যে আরেকটু ভালো হলে আরো ভালো হতে পারতো।’

নিজের গানের বাইরে কার গান শোনা হয়, এমন কথার জবাবে এই কিংবদন্তি বলেন, ‘আমি আসলে সবার গানই শুনি। নির্দিষ্ট করে কারো নাম বলা যাবেনা। আবার অনেকের গান থেকে আমি নিজেও কিছু শেখার চেষ্টা করি। দেশের মধ্যে যাদের গান বেশি ভালো লাগে তাদের কিন্তু আমি নিজে থেকেই ফোন করে বা ম্যাসেজ দিয়ে অনুপ্রেরণাও দিয়ে থাকি।’