ঢাকা ০৯:০৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১১ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সাংবাদিক বিপ্লবের উপর হামলা মামলার আসামীরা গ্রেপ্তার হচ্ছেনা পীরগঞ্জে শহীদ জমিদার পরিবারের পক্ষে কুরানখানী ও মিলাদমাহফিল চাঞ্চল্যকর আকরাম হত্যা মামলা তদন্তে পুলিশের বানিজ্য-মামলা ভিন্নখাতে প্রবাহের চেষ্টা পীরগঞ্জে নিয়োগ বাণিজ্যের প্রতিবাদে মানববন্ধন হিমালয় সংলগ্ন জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে নেই আবহাওয়া অফিস ঠাকুরগাঁওয়ে প্রাইমারীর ভাইভা পরীক্ষা দিতে গিয়ে ২ চাকরীপ্রার্থী আটক সহকারী শিক্ষক নিয়োগের মৌখিক পরীক্ষা দিতে এসে ধরা খেলেন চাকরিপ্রার্থী।  ৪৬৮ এমপি এখনো বহাল সংসদ-সদস্যের সংখ্যা নিয়ে বিতর্ক জীবনে আপনি সত্যিকারের সুখী কি না যেভাবে বুঝবেন ‘নজিরবিহীন ভোটবিমুখতা’-BBC

বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের রাখাইনে ফিরিয়ে নিতে হবে-ওআইসি

আজম রেহমান, সারাদিন ডেস্ক: : মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের সংদস্য রাষ্ট্রগুলো। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার চীন, রাশিয়া ও কয়েকটি দেশের বিরোধিতা সত্ত্বেও জাতিসংঘে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব বিপুল ভোটে পাস হয় বলে বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়।

ওই প্রস্তাবে বলা হয়, বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের রাখাইনে ফিরিয়ে নিতে হবে এবং তাদের মিয়ানমারের নাগরিকত্ব দিতে হবে।

জাতিসংঘের থার্ড কমিটির ওই ভোটাভুটিতে অংশ নেয় ১৭১টি দেশ। এর মধ্যে পক্ষে ভোট দিয়েছে ১৩৫টি দেশ।

প্রস্তাবে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে মিয়ানমারকে ১৬ দফা সুপারিশ করা হয়। এগুলো মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে চলমান সেনা অভিযান বন্ধ, অবিলম্বে রাখাইনে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলোকে অবারিতভাবে কাজ করতে দেওয়া, রাখাইনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে সেনাবাহিনী ও সংঘবদ্ধ উচ্ছৃঙ্খল লোকজনের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা এবং আনান কমিশনের সুপারিশের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন।

এ ছাড়া রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে জাতিসংঘের মহাসচিবকে মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত নিয়োগের পরামর্শও দেওয়া হয় ওই প্রস্তাবে।

মিয়ানমার, চীন, রাশিয়া, কম্বোডিয়া, ফিলিপাইন, লাওস, ভিয়েতনাম, সিরিয়া, জিম্বাবুয়ে ও বেলারুশ এ প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দেয়। আর ভারতসহ ২৬টি দেশ ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকে।

রোহিঙ্গা সংকটের ঘটনায় তারা ‘খুবই উদ্বিগ্ন’ বলেও জানানো হয় জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলোর পক্ষ থেকে।

ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) পক্ষে গত ৩১ অক্টোবর থার্ড কমিটিতে ‘মিয়ানমারের মানবাধিকার পরিস্থিতি’ শীর্ষক খসড়া প্রস্তাবটি দেয় মিসর। এটি সমর্থন করেছিল ৯৭টি দেশ এখন আগামী মাসে পূর্ণ পরিষদে এ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করা হবে। যদিও এক্ষেত্রে কোন বাধ্যবাধকতা নেই।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

সাংবাদিক বিপ্লবের উপর হামলা মামলার আসামীরা গ্রেপ্তার হচ্ছেনা

বাংলাদেশে আসা রোহিঙ্গাদের রাখাইনে ফিরিয়ে নিতে হবে-ওআইসি

আপডেট টাইম ০৪:৫৩:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ নভেম্বর ২০১৭

আজম রেহমান, সারাদিন ডেস্ক: : মিয়ানমারের রাখাইনে রোহিঙ্গাদের ওপর নিপীড়ন বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে জাতিসংঘের সংদস্য রাষ্ট্রগুলো। স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার চীন, রাশিয়া ও কয়েকটি দেশের বিরোধিতা সত্ত্বেও জাতিসংঘে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাব বিপুল ভোটে পাস হয় বলে বার্তা সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়।

ওই প্রস্তাবে বলা হয়, বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের রাখাইনে ফিরিয়ে নিতে হবে এবং তাদের মিয়ানমারের নাগরিকত্ব দিতে হবে।

জাতিসংঘের থার্ড কমিটির ওই ভোটাভুটিতে অংশ নেয় ১৭১টি দেশ। এর মধ্যে পক্ষে ভোট দিয়েছে ১৩৫টি দেশ।

প্রস্তাবে রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে মিয়ানমারকে ১৬ দফা সুপারিশ করা হয়। এগুলো মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে চলমান সেনা অভিযান বন্ধ, অবিলম্বে রাখাইনে জাতিসংঘসহ আন্তর্জাতিক ত্রাণ সংস্থাগুলোকে অবারিতভাবে কাজ করতে দেওয়া, রাখাইনে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে সেনাবাহিনী ও সংঘবদ্ধ উচ্ছৃঙ্খল লোকজনের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ তদন্ত পরিচালনা এবং আনান কমিশনের সুপারিশের পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন।

এ ছাড়া রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে জাতিসংঘের মহাসচিবকে মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত নিয়োগের পরামর্শও দেওয়া হয় ওই প্রস্তাবে।

মিয়ানমার, চীন, রাশিয়া, কম্বোডিয়া, ফিলিপাইন, লাওস, ভিয়েতনাম, সিরিয়া, জিম্বাবুয়ে ও বেলারুশ এ প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ভোট দেয়। আর ভারতসহ ২৬টি দেশ ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকে।

রোহিঙ্গা সংকটের ঘটনায় তারা ‘খুবই উদ্বিগ্ন’ বলেও জানানো হয় জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলোর পক্ষ থেকে।

ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) পক্ষে গত ৩১ অক্টোবর থার্ড কমিটিতে ‘মিয়ানমারের মানবাধিকার পরিস্থিতি’ শীর্ষক খসড়া প্রস্তাবটি দেয় মিসর। এটি সমর্থন করেছিল ৯৭টি দেশ এখন আগামী মাসে পূর্ণ পরিষদে এ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করা হবে। যদিও এক্ষেত্রে কোন বাধ্যবাধকতা নেই।