ঢাকা ০৩:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬, ২০ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
স্বাস্থ্য-মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা অভিভাবকহীন পীরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,হুমকির মুখে স্বাস্থ্য সেবা প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা, এডহক ডাক্তারের প্রভাবে প্রশ্নবিদ্ধ ঠাকুরগাঁওয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ–যেন দেখার কেউ নেই ঠাকুরগাঁওয়ে সড়ক বিভাগের একটি চিঠিতে আতঙ্কিত জমির মালিক চাপা উত্তেজনা পীরগঞ্জে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা, এসপি বরাবর অভিযোগ পীরগঞ্জ আল-হাসানা স্কুল এন্ড কলেজের ইফতার ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন ঠাকুরগাঁওয়ে মেডিকেল কলেজ স্থাপেনর সিদ্ধান্ত হয়ে গেছে : মির্জা ফখরুল কর্তব্যরত অবস্থায় ঠাকুরগায়ের পীরগঞ্জ থানার এক এএসআই’র মৃত্যু যখন গনতন্ত্র চাপা থাকে তখন উগ্রবাদী শক্তিগলোর উল্থন ঘটে,তারা মাথা চাড়া দিয়ে উঠে-ঠাকুরগায়ে মির্জা ফখরুল ঠাকুরগায়ের ৩ টি আসনেই বিএনপি’র বিজয়,প্রতিদ্বন্দিতা করেছে জামায়াত ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির অর্ধ-কোটি টাকাসহ আটক,এলাকায় চাঞ্চল্য

পীরগঞ্জে সড়ক নির্মান কাজে অনিয়মের অভিযোগ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:: জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার পোড়াপুকুর থেকে বেগুনবাড়ী পর্যন্ত ১ কিমি রাস্তা নির্মানে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিম্নমানের নির্মান সামগ্রী দিয়ে কাজ করার অভিযোগে স্থানীয়দের চাপের মুখে কাজ শুরুর পর বেশ কিছুদিন বন্ধ থাকে কাজটি। নতুন করে কাজ শুরু হলে আবারো একই অভিযোগ ওঠে এলাকাবাসীর। প্রকৌশল বিভাগের যোগসাজসে নিম্নমানের নির্মান সামগ্রী ব্যবহার করে যেনতেনভাবে রাস্তাটির কাজ করছেন ঠিকাদার।
এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় রংপুর বিভাগের গ্রামীন অবকাঠামো নির্মান প্রকল্পের অধিনে গত ৭ জুন/১৭ ইং পীরগঞ্জ উপজেলার পোড়াপুকুর থেকে বেগুনবাড়ী পর্যন্ত ১ কি.মি রাস্তা নির্মান বাবদ ৫৩ লাখ ৭১ হাজার ৪শ’২৪ টাকা ব্যায় বরাদ্দে কাজটি শুরু হলেও কাজটি শেষ হবে ৬ জুন /১৮ইং তারিখে। ইতিপূর্বে নিম্নমানের কাজের কারনে স্থানীয়রা কাজটি বন্ধ করে দিলে বেশ কিছুদিন বন্ধ থাকে কাজটি। সম্প্রতি পূনরায় কাজটি শুরু হলে আবারো দেখা দেয় অনিয়ম অব্যবস্থাপনা। প্রকৌশল বিভাগের তত্বাবধানকারীদের উপস্থিতিতেই যেনতেন ভাবে করা হচ্ছে কাজটি। স্থানীয় লোকজনের এ কাজের বিষয়ে ক্ষোভ আর আক্ষেপের শেষ নেই। রাস্তা তৈরীর শুরুতেই বক্সকাটিংয়ের ১ম স্তরে রোলার ছাড়াই বালু ভরাটের কাজ শেষ করা হয় এবং বালুর উপর নিম্নমানের ভাঙ্গা-আধাভাঙ্গা ইটের বড় আকৃতির খোয়া দেয়া হয়। খোয়া ও বালুর পরিমান সমান সমান হবার নিয়ম থাকলেও খোয়ার পরিমান কম দিয়ে বালুর মিশ্রন ফেলা হয় এবং জনতার চাপের মুখে রোলার নিয়ে গিয়ে এরপর নামমাত্র রোলার করা হয়। রাস্তার কয়েক জায়গায় কিছু ভাল খোয়ার স্তুপ লোকদেখানোর জন্য রাখা হলেও রাস্তায় ব্যবহৃত খোয়া নির্মান অযোগ্য বলে জানান এলাকার লোকজন। স্থানীয় বাসিন্দা তাজিম উদ্দিন বলেন তার জীবনের ৬৫ বছর বয়সে এমন নিম্নমানের কাজ তিনি দেখেননি। সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন বলেন প্রকৌশল বিভাগের লোকজনের উপস্থিতিতে এমন কাজ হলেও তারা কিছুই বলেলনি, যা থেকে তাদের যোগসাজশ প্রমানিত। কাজের ঠিকাদার হায়দার আলীর লোকজন বলেন, ঠিকাদারী কাজ এরকমই হয়ে থাকে। অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মো.ইসমাইল হোসেন বলেন, একজন উপ-সহকারী প্রকৌশলীর তত্বাবধানে কাজ চলছে, নিম্নমানের কাজ হচ্ছেকিনা আমার জানা নেই এবং আমার কাছে কেউ কোন অভিযোগও করেনি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তিনি দেখবেন বলে জানান।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

জনপ্রিয় সংবাদ

স্বাস্থ্য-মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা অভিভাবকহীন পীরগঞ্জ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স,হুমকির মুখে স্বাস্থ্য সেবা

পীরগঞ্জে সড়ক নির্মান কাজে অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট টাইম ০১:৫৩:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ এপ্রিল ২০১৮

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:: জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার পোড়াপুকুর থেকে বেগুনবাড়ী পর্যন্ত ১ কিমি রাস্তা নির্মানে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিম্নমানের নির্মান সামগ্রী দিয়ে কাজ করার অভিযোগে স্থানীয়দের চাপের মুখে কাজ শুরুর পর বেশ কিছুদিন বন্ধ থাকে কাজটি। নতুন করে কাজ শুরু হলে আবারো একই অভিযোগ ওঠে এলাকাবাসীর। প্রকৌশল বিভাগের যোগসাজসে নিম্নমানের নির্মান সামগ্রী ব্যবহার করে যেনতেনভাবে রাস্তাটির কাজ করছেন ঠিকাদার।
এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় রংপুর বিভাগের গ্রামীন অবকাঠামো নির্মান প্রকল্পের অধিনে গত ৭ জুন/১৭ ইং পীরগঞ্জ উপজেলার পোড়াপুকুর থেকে বেগুনবাড়ী পর্যন্ত ১ কি.মি রাস্তা নির্মান বাবদ ৫৩ লাখ ৭১ হাজার ৪শ’২৪ টাকা ব্যায় বরাদ্দে কাজটি শুরু হলেও কাজটি শেষ হবে ৬ জুন /১৮ইং তারিখে। ইতিপূর্বে নিম্নমানের কাজের কারনে স্থানীয়রা কাজটি বন্ধ করে দিলে বেশ কিছুদিন বন্ধ থাকে কাজটি। সম্প্রতি পূনরায় কাজটি শুরু হলে আবারো দেখা দেয় অনিয়ম অব্যবস্থাপনা। প্রকৌশল বিভাগের তত্বাবধানকারীদের উপস্থিতিতেই যেনতেন ভাবে করা হচ্ছে কাজটি। স্থানীয় লোকজনের এ কাজের বিষয়ে ক্ষোভ আর আক্ষেপের শেষ নেই। রাস্তা তৈরীর শুরুতেই বক্সকাটিংয়ের ১ম স্তরে রোলার ছাড়াই বালু ভরাটের কাজ শেষ করা হয় এবং বালুর উপর নিম্নমানের ভাঙ্গা-আধাভাঙ্গা ইটের বড় আকৃতির খোয়া দেয়া হয়। খোয়া ও বালুর পরিমান সমান সমান হবার নিয়ম থাকলেও খোয়ার পরিমান কম দিয়ে বালুর মিশ্রন ফেলা হয় এবং জনতার চাপের মুখে রোলার নিয়ে গিয়ে এরপর নামমাত্র রোলার করা হয়। রাস্তার কয়েক জায়গায় কিছু ভাল খোয়ার স্তুপ লোকদেখানোর জন্য রাখা হলেও রাস্তায় ব্যবহৃত খোয়া নির্মান অযোগ্য বলে জানান এলাকার লোকজন। স্থানীয় বাসিন্দা তাজিম উদ্দিন বলেন তার জীবনের ৬৫ বছর বয়সে এমন নিম্নমানের কাজ তিনি দেখেননি। সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন বলেন প্রকৌশল বিভাগের লোকজনের উপস্থিতিতে এমন কাজ হলেও তারা কিছুই বলেলনি, যা থেকে তাদের যোগসাজশ প্রমানিত। কাজের ঠিকাদার হায়দার আলীর লোকজন বলেন, ঠিকাদারী কাজ এরকমই হয়ে থাকে। অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মো.ইসমাইল হোসেন বলেন, একজন উপ-সহকারী প্রকৌশলীর তত্বাবধানে কাজ চলছে, নিম্নমানের কাজ হচ্ছেকিনা আমার জানা নেই এবং আমার কাছে কেউ কোন অভিযোগও করেনি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তিনি দেখবেন বলে জানান।