সংবাদ শিরোনাম
আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত প্রাণিসম্পদ বিভাগের দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, ফ্রি ভ্যাকসিনেশন ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত: ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলের অন্ত:স্কুল শিখন ও গনিত উৎসব-২৬ অনুষ্ঠিত “আমিষেই শক্তি, আমিষেই মুক্তি” প্রতিপাদ্য নিয়ে পীরগঞ্জে   প্রানিসম্পদের ফ্রি-মেডিকেল ক্যাম্প ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শরিয়াহভিত্তিক ইসলামিক রাষ্ট্র নয়, বাংলাদেশের মানুষ উদারপন্থি রাজনীতি করতে চায়-ঠাকুরগাঁও বিএনপি’র বর্ধিত সভায় মির্জা ফখরুল ব্র্যাক’র স্বপ্নসারথী দলের কিশোরীদের মাঝে শিক্ষা সহায়তা প্রদান সম্পন্ন রংপুর বিভাগীয় পরিচালকের পীরগঞ্জ প্রানিসম্পদ দপ্তরের সম্প্রসারন কার্যক্রম পরিদর্শন পীরগঞ্জ পেৌরসভার ৫২ কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা পীরগঞ্জে বৃক্ষরােপন কর্মসূচীর উদ্বোধন পীরগঞ্জে স্বপ্ন-সারথিদের মাঝে গ্রাজুয়েশন সনদ প্রদান

পীরগঞ্জে সড়ক নির্মান কাজে অনিয়মের অভিযোগ

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:: জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার পোড়াপুকুর থেকে বেগুনবাড়ী পর্যন্ত ১ কিমি রাস্তা নির্মানে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিম্নমানের নির্মান সামগ্রী দিয়ে কাজ করার অভিযোগে স্থানীয়দের চাপের মুখে কাজ শুরুর পর বেশ কিছুদিন বন্ধ থাকে কাজটি। নতুন করে কাজ শুরু হলে আবারো একই অভিযোগ ওঠে এলাকাবাসীর। প্রকৌশল বিভাগের যোগসাজসে নিম্নমানের নির্মান সামগ্রী ব্যবহার করে যেনতেনভাবে রাস্তাটির কাজ করছেন ঠিকাদার।
এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় রংপুর বিভাগের গ্রামীন অবকাঠামো নির্মান প্রকল্পের অধিনে গত ৭ জুন/১৭ ইং পীরগঞ্জ উপজেলার পোড়াপুকুর থেকে বেগুনবাড়ী পর্যন্ত ১ কি.মি রাস্তা নির্মান বাবদ ৫৩ লাখ ৭১ হাজার ৪শ’২৪ টাকা ব্যায় বরাদ্দে কাজটি শুরু হলেও কাজটি শেষ হবে ৬ জুন /১৮ইং তারিখে। ইতিপূর্বে নিম্নমানের কাজের কারনে স্থানীয়রা কাজটি বন্ধ করে দিলে বেশ কিছুদিন বন্ধ থাকে কাজটি। সম্প্রতি পূনরায় কাজটি শুরু হলে আবারো দেখা দেয় অনিয়ম অব্যবস্থাপনা। প্রকৌশল বিভাগের তত্বাবধানকারীদের উপস্থিতিতেই যেনতেন ভাবে করা হচ্ছে কাজটি। স্থানীয় লোকজনের এ কাজের বিষয়ে ক্ষোভ আর আক্ষেপের শেষ নেই। রাস্তা তৈরীর শুরুতেই বক্সকাটিংয়ের ১ম স্তরে রোলার ছাড়াই বালু ভরাটের কাজ শেষ করা হয় এবং বালুর উপর নিম্নমানের ভাঙ্গা-আধাভাঙ্গা ইটের বড় আকৃতির খোয়া দেয়া হয়। খোয়া ও বালুর পরিমান সমান সমান হবার নিয়ম থাকলেও খোয়ার পরিমান কম দিয়ে বালুর মিশ্রন ফেলা হয় এবং জনতার চাপের মুখে রোলার নিয়ে গিয়ে এরপর নামমাত্র রোলার করা হয়। রাস্তার কয়েক জায়গায় কিছু ভাল খোয়ার স্তুপ লোকদেখানোর জন্য রাখা হলেও রাস্তায় ব্যবহৃত খোয়া নির্মান অযোগ্য বলে জানান এলাকার লোকজন। স্থানীয় বাসিন্দা তাজিম উদ্দিন বলেন তার জীবনের ৬৫ বছর বয়সে এমন নিম্নমানের কাজ তিনি দেখেননি। সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন বলেন প্রকৌশল বিভাগের লোকজনের উপস্থিতিতে এমন কাজ হলেও তারা কিছুই বলেলনি, যা থেকে তাদের যোগসাজশ প্রমানিত। কাজের ঠিকাদার হায়দার আলীর লোকজন বলেন, ঠিকাদারী কাজ এরকমই হয়ে থাকে। অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মো.ইসমাইল হোসেন বলেন, একজন উপ-সহকারী প্রকৌশলীর তত্বাবধানে কাজ চলছে, নিম্নমানের কাজ হচ্ছেকিনা আমার জানা নেই এবং আমার কাছে কেউ কোন অভিযোগও করেনি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তিনি দেখবেন বলে জানান।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত

পীরগঞ্জে সড়ক নির্মান কাজে অনিয়মের অভিযোগ

আপডেট টাইম ০১:৫৩:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ এপ্রিল ২০১৮

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:: জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার পোড়াপুকুর থেকে বেগুনবাড়ী পর্যন্ত ১ কিমি রাস্তা নির্মানে অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিম্নমানের নির্মান সামগ্রী দিয়ে কাজ করার অভিযোগে স্থানীয়দের চাপের মুখে কাজ শুরুর পর বেশ কিছুদিন বন্ধ থাকে কাজটি। নতুন করে কাজ শুরু হলে আবারো একই অভিযোগ ওঠে এলাকাবাসীর। প্রকৌশল বিভাগের যোগসাজসে নিম্নমানের নির্মান সামগ্রী ব্যবহার করে যেনতেনভাবে রাস্তাটির কাজ করছেন ঠিকাদার।
এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের আওতায় রংপুর বিভাগের গ্রামীন অবকাঠামো নির্মান প্রকল্পের অধিনে গত ৭ জুন/১৭ ইং পীরগঞ্জ উপজেলার পোড়াপুকুর থেকে বেগুনবাড়ী পর্যন্ত ১ কি.মি রাস্তা নির্মান বাবদ ৫৩ লাখ ৭১ হাজার ৪শ’২৪ টাকা ব্যায় বরাদ্দে কাজটি শুরু হলেও কাজটি শেষ হবে ৬ জুন /১৮ইং তারিখে। ইতিপূর্বে নিম্নমানের কাজের কারনে স্থানীয়রা কাজটি বন্ধ করে দিলে বেশ কিছুদিন বন্ধ থাকে কাজটি। সম্প্রতি পূনরায় কাজটি শুরু হলে আবারো দেখা দেয় অনিয়ম অব্যবস্থাপনা। প্রকৌশল বিভাগের তত্বাবধানকারীদের উপস্থিতিতেই যেনতেন ভাবে করা হচ্ছে কাজটি। স্থানীয় লোকজনের এ কাজের বিষয়ে ক্ষোভ আর আক্ষেপের শেষ নেই। রাস্তা তৈরীর শুরুতেই বক্সকাটিংয়ের ১ম স্তরে রোলার ছাড়াই বালু ভরাটের কাজ শেষ করা হয় এবং বালুর উপর নিম্নমানের ভাঙ্গা-আধাভাঙ্গা ইটের বড় আকৃতির খোয়া দেয়া হয়। খোয়া ও বালুর পরিমান সমান সমান হবার নিয়ম থাকলেও খোয়ার পরিমান কম দিয়ে বালুর মিশ্রন ফেলা হয় এবং জনতার চাপের মুখে রোলার নিয়ে গিয়ে এরপর নামমাত্র রোলার করা হয়। রাস্তার কয়েক জায়গায় কিছু ভাল খোয়ার স্তুপ লোকদেখানোর জন্য রাখা হলেও রাস্তায় ব্যবহৃত খোয়া নির্মান অযোগ্য বলে জানান এলাকার লোকজন। স্থানীয় বাসিন্দা তাজিম উদ্দিন বলেন তার জীবনের ৬৫ বছর বয়সে এমন নিম্নমানের কাজ তিনি দেখেননি। সাবেক ইউপি সদস্য আনোয়ার হোসেন বলেন প্রকৌশল বিভাগের লোকজনের উপস্থিতিতে এমন কাজ হলেও তারা কিছুই বলেলনি, যা থেকে তাদের যোগসাজশ প্রমানিত। কাজের ঠিকাদার হায়দার আলীর লোকজন বলেন, ঠিকাদারী কাজ এরকমই হয়ে থাকে। অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মো.ইসমাইল হোসেন বলেন, একজন উপ-সহকারী প্রকৌশলীর তত্বাবধানে কাজ চলছে, নিম্নমানের কাজ হচ্ছেকিনা আমার জানা নেই এবং আমার কাছে কেউ কোন অভিযোগও করেনি। অভিযোগ পেলে বিষয়টি তিনি দেখবেন বলে জানান।