সংবাদ শিরোনাম
আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত প্রাণিসম্পদ বিভাগের দিনব্যাপী ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প, ফ্রি ভ্যাকসিনেশন ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত: ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলের অন্ত:স্কুল শিখন ও গনিত উৎসব-২৬ অনুষ্ঠিত “আমিষেই শক্তি, আমিষেই মুক্তি” প্রতিপাদ্য নিয়ে পীরগঞ্জে   প্রানিসম্পদের ফ্রি-মেডিকেল ক্যাম্প ও উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত শরিয়াহভিত্তিক ইসলামিক রাষ্ট্র নয়, বাংলাদেশের মানুষ উদারপন্থি রাজনীতি করতে চায়-ঠাকুরগাঁও বিএনপি’র বর্ধিত সভায় মির্জা ফখরুল ব্র্যাক’র স্বপ্নসারথী দলের কিশোরীদের মাঝে শিক্ষা সহায়তা প্রদান সম্পন্ন রংপুর বিভাগীয় পরিচালকের পীরগঞ্জ প্রানিসম্পদ দপ্তরের সম্প্রসারন কার্যক্রম পরিদর্শন পীরগঞ্জ পেৌরসভার ৫২ কোটি টাকার বাজেট ঘোষনা পীরগঞ্জে বৃক্ষরােপন কর্মসূচীর উদ্বোধন পীরগঞ্জে স্বপ্ন-সারথিদের মাঝে গ্রাজুয়েশন সনদ প্রদান

দুই ব্যাংককে আড়াই হাজার কোটি টাকা দেবে সরকার

বল্প সুদে দেশের বেকার তরুণ-তরুণী যেন ঋণ নিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারে, সেজন্য দুই ব্যাংককে আড়াই হাজার কোটি টাকা দেবে সরকার।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ভিডিও কনফারেন্সে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিতদের মধ্যে সরাসরি নগদ অর্থ প্রদান এবং মোবাইল ব্যাংকিং/অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে স্নাতক ও সমমান পর্যায়ের ২০১৯ সালের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ও টিউশন ফি বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, আমি যখন প্রথমবার সরকারে আসি, আমাদের যুবক শ্রেণী যারা, তারা যেন বেকারত্বের অভিশাপ নিয়ে ঘুরে না বেড়ায়, তার জন্য একটা বিশেষ ব্যাংক তৈরি করে দিয়েছিলাম- কর্মসংস্থান ব্যাংক। ব্যাংকটি সে সময় থেকে এখনও আছে। এ ব্যাংক থেকে শিক্ষিত হোক আর অশিক্ষিত হোক, যেকোনো যুবক বা তরুণ-তরুণী কোনো জামানত ছাড়াই এখন থেকে স্বল্প সুদে দুই লাখ টাকা ঋণ নিতে পারবেন। এই ঋণ নিয়ে তারা নিজেরা ব্যবসা করতে পারবেন অথবা বন্ধু-বান্ধব মিলে ব্যবসা করতে পারবেন। এই সুযোগ সৃষ্টির জন্য কর্মসংস্থান ব্যাংক আমি তৈরি করি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই কর্মসংস্থান ব্যাংকে ঋণ প্রদান বৃদ্ধি করার জন্য আরও দুই হাজার কোটি টাকার বিশেষ আমানত দেয়া হবে। ওখান থেকে যুবক শ্রেণী যাতে বেকার হয়ে ঘুরে না বেড়ায় তার জন্য সেখান থেকে ঋণ নিতে পারবে তারা। নিজেরা ব্যবসা বাণিজ্য করতে পারবে।

প্রবাসীদের বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের যারা প্রবাসী, তারা রেমিট্যান্স পাঠায়। তারা যেন ঘরবাড়ি বিক্রি না করে, ঋণ নিয়ে বিদেশে যেতে পারে, তার জন্য প্রবাসী কল্যাণ নামে আরেকটি বিশেষ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছি। সেই ব্যাংকেও আমরা আরও টাকা দেব। সেখানে আমরা অতিরিক্ত ৫০০ কোটি টাকা দেব। এর আগে ওখানে আমরা প্রায় ৪০০ কোটি টাকা দিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আপনারা জানেন যে, এখন প্রবাসে কাজের পরিধি সীমিত হয়ে গেছে। সেখানেও বহু মানুষ কাজ হারাচ্ছে এবং অনেকে দেশে ফিরে আসছে। তারা আমার দেশের নাগরিক। তারা ওখানে কষ্ট করুক সেটা আমি চাই না। তারা ফিরে আসলে ফিরে আসবে। কিন্তু এখানে এসে তারা যেন কাজ করে খেতে পারেন, তাদের সেই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাটা আমরা করে দিচ্ছি। সে কারণে ওই ব্যাংকে আরও ৫০০ কোটি টাকা আমরা দিয়ে দিচ্ছি।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

আল-হাসানাহ স্কুলে মেধা,শিখন ও গনিত উৎসবে বিজয়ীদের সম্মাননা ও পুরুষ্কার বিতরনী অনুষ্ঠিত

দুই ব্যাংককে আড়াই হাজার কোটি টাকা দেবে সরকার

আপডেট টাইম ০৪:০৮:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২০

বল্প সুদে দেশের বেকার তরুণ-তরুণী যেন ঋণ নিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারে, সেজন্য দুই ব্যাংককে আড়াই হাজার কোটি টাকা দেবে সরকার।

বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ভিডিও কনফারেন্সে মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সুবিধাবঞ্চিতদের মধ্যে সরাসরি নগদ অর্থ প্রদান এবং মোবাইল ব্যাংকিং/অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে স্নাতক ও সমমান পর্যায়ের ২০১৯ সালের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ও টিউশন ফি বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেন, আমি যখন প্রথমবার সরকারে আসি, আমাদের যুবক শ্রেণী যারা, তারা যেন বেকারত্বের অভিশাপ নিয়ে ঘুরে না বেড়ায়, তার জন্য একটা বিশেষ ব্যাংক তৈরি করে দিয়েছিলাম- কর্মসংস্থান ব্যাংক। ব্যাংকটি সে সময় থেকে এখনও আছে। এ ব্যাংক থেকে শিক্ষিত হোক আর অশিক্ষিত হোক, যেকোনো যুবক বা তরুণ-তরুণী কোনো জামানত ছাড়াই এখন থেকে স্বল্প সুদে দুই লাখ টাকা ঋণ নিতে পারবেন। এই ঋণ নিয়ে তারা নিজেরা ব্যবসা করতে পারবেন অথবা বন্ধু-বান্ধব মিলে ব্যবসা করতে পারবেন। এই সুযোগ সৃষ্টির জন্য কর্মসংস্থান ব্যাংক আমি তৈরি করি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই কর্মসংস্থান ব্যাংকে ঋণ প্রদান বৃদ্ধি করার জন্য আরও দুই হাজার কোটি টাকার বিশেষ আমানত দেয়া হবে। ওখান থেকে যুবক শ্রেণী যাতে বেকার হয়ে ঘুরে না বেড়ায় তার জন্য সেখান থেকে ঋণ নিতে পারবে তারা। নিজেরা ব্যবসা বাণিজ্য করতে পারবে।

প্রবাসীদের বিষয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমাদের যারা প্রবাসী, তারা রেমিট্যান্স পাঠায়। তারা যেন ঘরবাড়ি বিক্রি না করে, ঋণ নিয়ে বিদেশে যেতে পারে, তার জন্য প্রবাসী কল্যাণ নামে আরেকটি বিশেষ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করেছি। সেই ব্যাংকেও আমরা আরও টাকা দেব। সেখানে আমরা অতিরিক্ত ৫০০ কোটি টাকা দেব। এর আগে ওখানে আমরা প্রায় ৪০০ কোটি টাকা দিয়েছি।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, আপনারা জানেন যে, এখন প্রবাসে কাজের পরিধি সীমিত হয়ে গেছে। সেখানেও বহু মানুষ কাজ হারাচ্ছে এবং অনেকে দেশে ফিরে আসছে। তারা আমার দেশের নাগরিক। তারা ওখানে কষ্ট করুক সেটা আমি চাই না। তারা ফিরে আসলে ফিরে আসবে। কিন্তু এখানে এসে তারা যেন কাজ করে খেতে পারেন, তাদের সেই কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাটা আমরা করে দিচ্ছি। সে কারণে ওই ব্যাংকে আরও ৫০০ কোটি টাকা আমরা দিয়ে দিচ্ছি।