সংবাদ শিরোনাম
পীরগঞ্জে হিন্দু ধর্মীয় দুর্গা-পূজার জন্য অনুদান বিতরন একটি আদর্শ, একটি স্বপ্নকে বাস্তবে রুপ দেবার ক্ষেত্রে এটি নি:সন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ন মাইলফলক-পরিচালক ইত্তাশাম-উল-হক পীরগঞ্জে ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত চেরকুঘাট সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন চেরকুঘাট সেতুর উদ্বোধন করলেন এমপি জাহিদুর ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলে অন্ত: প্রতিযোগীতা ইংলিশ অলিম্পিয়ার্ড ও বিজ্ঞান উৎসবের উদ্বোধন পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর টিকা দেয়ার কারনে আজ দেশ থেকে গুটি বসন্ত রোগ চিরতরে বিদায় হয়েছে, তেমনি করে গরু ছাগলকেও টিকা দেয়ার বিকল্প নেই-ঠাকুরগাঁওয়ে লাইভষ্টক পরিচালক ডা: আব্দুল হাই সরকার ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন নৈতিক শিক্ষা আর নীতি আদর্শ না থাকলে কোনো শিক্ষাই জীবনে কাজে আসবেনা-আল-হাসানাহ পরিচালক মিম ঠাকুরগাঁওয়ে ‘এন্টি-মাইক্রোবিয়াল রেজিস্টেন্স’ রোধে প্রাণিসম্পদ বিভাগের মতবিনিময় সভা ঠাকুরগাঁওয়ের হবি গরুর খামার করে এখন চিজ ফ্যাক্টরীর মালিক

পীরগন্জ থানার ওসি প্রদীপের বিরুদ্ধে তদন্ত অনুষ্ঠিত

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:কক্সবাজারের ওসি প্রদীপের ঘটনার পর ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগন্জ থানার ওসি প্রদীপ কুমার রায়ের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের অভিযোগের তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় জেলার পীরগন্জ থানা চত্বরে ওসি প্রদীপ কুমার রায়ের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে হয়রানী,অর্থছাড়া মামলা রুজু না করা এবং বিনা কারণে দুর্ব্যবহার করার বিষয়ে সরজমিনে তদন্ত করেন রংপুর ডিআইজি অফিসের নিযুক্ত তদন্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম তরিক।
স্থানীয়রা জানান,ওসি প্রদীপ কুমার রায় পীরগন্জ থানায় যোগদানের পর থেকে স্থানীয় লোকজনকে অকারণে হয়রানি করতে থাকেন।স্থানীয় লোকজন জমিজমা বা পারিবারিক কলহে কিংবা স্বামী কর্তৃক নির্যাতিত হয়ে আইনের আশ্রয় নিতে গেলে বেশিরভাগ মানুষকে আইনি সেবা না দিয়ে হয়রানী করেন।এ কারণে অনেকেই সুষ্ঠু বিচার পাওয়া হতে বন্চিত হয়।
জেলার পীরগন্জ উপজেলার সেনগাঁও গ্রামের সোবাহানের কন্যা লিজা আখতার (৩০) তার স্বামী মোহাম্মদ আলী কর্তৃক নির্যাতিত হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন কিন্তু ওসি প্রদীপ রায় নির্যাতিতা ওই নারীর অভিযোগ মামলা হিসেবে রুজুৃ না করে কিংবা কোন প্রতিকার না দিয়েই তাকে দিনের পর দিন হয়রানি করেন।এ অবস্থায় গত ১৬ মার্চ দুপুরে নির্যাতিতা লিজার সঙ্গে থানায় যান স্থানীয় মানবাধিকার কর্মী নাহিদ পারভীন রিপা।এ ঘটনায় থানার ওসি প্রদীপ কুমার রায় ওই মানবাধিকার কর্মীর সঙ্গে অসদাচরণ করেন এবং তাকে থানা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য হুমকি ধামকি দেন।এ অবস্থায় নির্যাতিতা লিজা আখতার ন্যায় বিচার পাওয়া হতে বন্চিত হয়ে পিত্রালয়ে অবস্থান করছেন।
এ ঘটনায় মানবাধিকার কর্মী নাহিদ পারভনি রিপা ওসি প্রদীপ কুমার রায়ের বিরুদ্ধে পুলিশের ডিআইজি, আইজিপি সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার রংপুর ডিআইজি অফিস হতে নিয়োজিত তদন্তকারী কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম তরিক পীরগন্জ থানা চত্বরে ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ ও সংবাদপত্রকর্মীদের বক্তব্য লিপিবদ্ধ করেন।
এ ব্যাপারে সমাজসেবায় অসামান্য অবদান রাখায় নির্বাচিত জয়িতা ও মানবাধিকার কর্মী নাহিদ পারভীন রিপা তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, দেশে প্রদীপ নামের ওসিদের অপতৎপরতা এমনভাবে বেড়ে গিয়েছিল যে, তারা সাধারণ মানুষকে মানুষ হিসেবে গন্য করতো না, সম্মানিত নাগরিকদের অসম্মান করতেও কুন্ঠা বোধ করতো না এসব অসৎ ও বদরাগী ওসিদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

পীরগঞ্জে হিন্দু ধর্মীয় দুর্গা-পূজার জন্য অনুদান বিতরন

পীরগন্জ থানার ওসি প্রদীপের বিরুদ্ধে তদন্ত অনুষ্ঠিত

আপডেট টাইম ১১:৩৭:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২০

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:কক্সবাজারের ওসি প্রদীপের ঘটনার পর ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগন্জ থানার ওসি প্রদীপ কুমার রায়ের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের অভিযোগের তদন্ত অনুষ্ঠিত হয়েছে।বৃহস্পতিবার সকাল ১১ টায় জেলার পীরগন্জ থানা চত্বরে ওসি প্রদীপ কুমার রায়ের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে হয়রানী,অর্থছাড়া মামলা রুজু না করা এবং বিনা কারণে দুর্ব্যবহার করার বিষয়ে সরজমিনে তদন্ত করেন রংপুর ডিআইজি অফিসের নিযুক্ত তদন্ত কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম তরিক।
স্থানীয়রা জানান,ওসি প্রদীপ কুমার রায় পীরগন্জ থানায় যোগদানের পর থেকে স্থানীয় লোকজনকে অকারণে হয়রানি করতে থাকেন।স্থানীয় লোকজন জমিজমা বা পারিবারিক কলহে কিংবা স্বামী কর্তৃক নির্যাতিত হয়ে আইনের আশ্রয় নিতে গেলে বেশিরভাগ মানুষকে আইনি সেবা না দিয়ে হয়রানী করেন।এ কারণে অনেকেই সুষ্ঠু বিচার পাওয়া হতে বন্চিত হয়।
জেলার পীরগন্জ উপজেলার সেনগাঁও গ্রামের সোবাহানের কন্যা লিজা আখতার (৩০) তার স্বামী মোহাম্মদ আলী কর্তৃক নির্যাতিত হয়ে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন কিন্তু ওসি প্রদীপ রায় নির্যাতিতা ওই নারীর অভিযোগ মামলা হিসেবে রুজুৃ না করে কিংবা কোন প্রতিকার না দিয়েই তাকে দিনের পর দিন হয়রানি করেন।এ অবস্থায় গত ১৬ মার্চ দুপুরে নির্যাতিতা লিজার সঙ্গে থানায় যান স্থানীয় মানবাধিকার কর্মী নাহিদ পারভীন রিপা।এ ঘটনায় থানার ওসি প্রদীপ কুমার রায় ওই মানবাধিকার কর্মীর সঙ্গে অসদাচরণ করেন এবং তাকে থানা থেকে বেরিয়ে যাওয়ার জন্য হুমকি ধামকি দেন।এ অবস্থায় নির্যাতিতা লিজা আখতার ন্যায় বিচার পাওয়া হতে বন্চিত হয়ে পিত্রালয়ে অবস্থান করছেন।
এ ঘটনায় মানবাধিকার কর্মী নাহিদ পারভনি রিপা ওসি প্রদীপ কুমার রায়ের বিরুদ্ধে পুলিশের ডিআইজি, আইজিপি সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করেন। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার রংপুর ডিআইজি অফিস হতে নিয়োজিত তদন্তকারী কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম তরিক পীরগন্জ থানা চত্বরে ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ ও সংবাদপত্রকর্মীদের বক্তব্য লিপিবদ্ধ করেন।
এ ব্যাপারে সমাজসেবায় অসামান্য অবদান রাখায় নির্বাচিত জয়িতা ও মানবাধিকার কর্মী নাহিদ পারভীন রিপা তার প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন, দেশে প্রদীপ নামের ওসিদের অপতৎপরতা এমনভাবে বেড়ে গিয়েছিল যে, তারা সাধারণ মানুষকে মানুষ হিসেবে গন্য করতো না, সম্মানিত নাগরিকদের অসম্মান করতেও কুন্ঠা বোধ করতো না এসব অসৎ ও বদরাগী ওসিদের বিরুদ্ধে সরকার কঠোর ব্যবস্থা নেবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।