সংবাদ শিরোনাম
পীরগঞ্জে ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত চেরকুঘাট সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন চেরকুঘাট সেতুর উদ্বোধন করলেন এমপি জাহিদুর ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলে অন্ত: প্রতিযোগীতা ইংলিশ অলিম্পিয়ার্ড ও বিজ্ঞান উৎসবের উদ্বোধন পীরগঞ্জ সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত বাংলাদেশির মরদেহ হস্তান্তর টিকা দেয়ার কারনে আজ দেশ থেকে গুটি বসন্ত রোগ চিরতরে বিদায় হয়েছে, তেমনি করে গরু ছাগলকেও টিকা দেয়ার বিকল্প নেই-ঠাকুরগাঁওয়ে লাইভষ্টক পরিচালক ডা: আব্দুল হাই সরকার ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন নৈতিক শিক্ষা আর নীতি আদর্শ না থাকলে কোনো শিক্ষাই জীবনে কাজে আসবেনা-আল-হাসানাহ পরিচালক মিম ঠাকুরগাঁওয়ে ‘এন্টি-মাইক্রোবিয়াল রেজিস্টেন্স’ রোধে প্রাণিসম্পদ বিভাগের মতবিনিময় সভা ঠাকুরগাঁওয়ের হবি গরুর খামার করে এখন চিজ ফ্যাক্টরীর মালিক পীরগঞ্জে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কর্মশালা পীরগঞ্জে নাশকতা চেষ্টার অভিযোগে ২ জন আটক

ঠাকুরগাঁওয়ে গৃহহীনদের স্বপ্ন পূরণের পালা

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:: আগামী জানুয়ারি মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে একযোগে এসব ঘর হন্তান্তর কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। এ জন্য কর্মযজ্ঞে মুখরোরিত গুচ্ছ গ্রামগুলো। শেষ পর্যায়ে চলছে ঘর নির্মাণ কাজ।

এসব গুচ্ছগ্রামে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা পর্যাপ্ত না থাকায় কিছুটা দুর্ভোগের কথা বললেন বাসিন্দারা। তবে এ সমস্যা পর্যায়ক্রমে সমাধানের আশ্বাস দেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক ড. কে.এম কামররুজ্জামান সেলিম।

কেউ থাকেন অন্যের জমিতে, কেউবা সরকারি জমি বেদখল করে। খড় বা বেড়া দিয়ে জুবুথুবু করে জরাজীর্ণ অবস্থায় নিদারুণ কষ্টে তাদের বসবাস। পরিবার পরিজন নিয়ে দুর্বিষহ জীবনযান তাদের। তার ওপর সরকারি জমি উচ্ছেদ অভিযানে ঘরবাড়ি ভেঙে দিলে নিদারুণ কষ্টের যেন শেষ নেই ভূমিহীন বা গৃহহীন এসব পরিবারদের।

তাদের কষ্ট লাঘবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দেন- মুজিববর্ষে কেউ গৃহহীন থাকবে না। এ ঘোষণার পর সারাদেশেই শুরু হয় গৃহহীনদের ঘর নির্মাণ কার্যক্রম।

এর আওতায় ঠাকুরগাঁওয়ে এবার তিনটি শ্রেণীর ভূমিহীন ও গৃহহীনদের ৭ হাজার ৮০০ ঘর নির্মাণ করে দেবে জেলা প্রশাসন। এর মধ্যে প্রথম দফায় দেয়া হবে সাড়ে ৬শ’ ঘর। একটি পরিবারের জন্য দুই রুম বিশিষ্ট ঘরে আরো থাকবে রান্নাঘর, বাথরুম ও স্টোররুম। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা।

তবে এসব বাসিন্দাদের জন্য তেমন থাকছে না টিউবওয়েল ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা। প্রতিটি পরিবার যেন একটি করে টিউবওয়েল পায় সেই দাবি সবার। এছাড়া বর্ষার পানি নিষ্কাশনে ড্রেনেজ ব্যবস্থারও দাবি জানান সুবিধাভোগী ও জনপ্রতিনিধিরা।

তারা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর দেয়া এই ঘর উপহার পেলে তাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হবে এবং স্থায়ী বন্দোবস্ত হওয়ায় খুঁজে পেলো ঠিকানা। পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করবে সুখ-শান্তিতে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা জানালেন গৃহহীন এসব পরিবার। আর এসব বাসিন্দাদের পনি ও ড্রেনজ ব্যবস্থা পর্যায়ক্রমে করার আশ্বাস দিলেন জেলা প্রশাসক কেএম কামরুজ্জামান সেলিম।

Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

Azam Rehman

পীরগঞ্জে ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত চেরকুঘাট সেতুর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন চেরকুঘাট সেতুর উদ্বোধন করলেন এমপি জাহিদুর

ঠাকুরগাঁওয়ে গৃহহীনদের স্বপ্ন পূরণের পালা

আপডেট টাইম ০২:৫৯:১৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২০
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি:: আগামী জানুয়ারি মাসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাদেশে একযোগে এসব ঘর হন্তান্তর কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। এ জন্য কর্মযজ্ঞে মুখরোরিত গুচ্ছ গ্রামগুলো। শেষ পর্যায়ে চলছে ঘর নির্মাণ কাজ।

এসব গুচ্ছগ্রামে পানি সরবরাহ ব্যবস্থা পর্যাপ্ত না থাকায় কিছুটা দুর্ভোগের কথা বললেন বাসিন্দারা। তবে এ সমস্যা পর্যায়ক্রমে সমাধানের আশ্বাস দেন ঠাকুরগাঁওয়ের জেলা প্রশাসক ড. কে.এম কামররুজ্জামান সেলিম।

কেউ থাকেন অন্যের জমিতে, কেউবা সরকারি জমি বেদখল করে। খড় বা বেড়া দিয়ে জুবুথুবু করে জরাজীর্ণ অবস্থায় নিদারুণ কষ্টে তাদের বসবাস। পরিবার পরিজন নিয়ে দুর্বিষহ জীবনযান তাদের। তার ওপর সরকারি জমি উচ্ছেদ অভিযানে ঘরবাড়ি ভেঙে দিলে নিদারুণ কষ্টের যেন শেষ নেই ভূমিহীন বা গৃহহীন এসব পরিবারদের।

তাদের কষ্ট লাঘবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষণা দেন- মুজিববর্ষে কেউ গৃহহীন থাকবে না। এ ঘোষণার পর সারাদেশেই শুরু হয় গৃহহীনদের ঘর নির্মাণ কার্যক্রম।

এর আওতায় ঠাকুরগাঁওয়ে এবার তিনটি শ্রেণীর ভূমিহীন ও গৃহহীনদের ৭ হাজার ৮০০ ঘর নির্মাণ করে দেবে জেলা প্রশাসন। এর মধ্যে প্রথম দফায় দেয়া হবে সাড়ে ৬শ’ ঘর। একটি পরিবারের জন্য দুই রুম বিশিষ্ট ঘরে আরো থাকবে রান্নাঘর, বাথরুম ও স্টোররুম। এতে ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৭১ হাজার টাকা।

তবে এসব বাসিন্দাদের জন্য তেমন থাকছে না টিউবওয়েল ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা। প্রতিটি পরিবার যেন একটি করে টিউবওয়েল পায় সেই দাবি সবার। এছাড়া বর্ষার পানি নিষ্কাশনে ড্রেনেজ ব্যবস্থারও দাবি জানান সুবিধাভোগী ও জনপ্রতিনিধিরা।

তারা বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর দেয়া এই ঘর উপহার পেলে তাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ হবে এবং স্থায়ী বন্দোবস্ত হওয়ায় খুঁজে পেলো ঠিকানা। পরিবার পরিজন নিয়ে বসবাস করবে সুখ-শান্তিতে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা জানালেন গৃহহীন এসব পরিবার। আর এসব বাসিন্দাদের পনি ও ড্রেনজ ব্যবস্থা পর্যায়ক্রমে করার আশ্বাস দিলেন জেলা প্রশাসক কেএম কামরুজ্জামান সেলিম।