সংবাদ শিরোনাম
তারেক রহমানের নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ দ্রুত সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে- মির্জা ফখরুল ঠাকুরগাঁওয়ে দাম্পত্য কলহের জেরে ৮ মাসের অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধুর মৃত্যু, স্বামী পলাতক সাংবাদিকতার চাইতে চ্যালেঞ্জিং পেশা আর নেই-মির্জা ফখরুল পীরগঞ্জ প্রাণিসম্পদ দপ্তরে নির্ধারিত ৫শ৪৬ খামারীর মাঝে পশুখাদ্য ও উপকরণ বিতরণ পীরগঞ্জ উপজেলা পরিষদে এমপি’র অফিস উদ্বোধন পীরগঞ্জে সরকারী কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে স্থানীয় এমপি;র মত-বিনীময় সভা অনুষ্ঠিত ঠাকুরগাঁওয়ে আল-হাসানাহ স্কুলের ১ম ত্রৈ-মাসিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ ও অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত পীরগঞ্জে সাড়ে ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৩ কিলোমিটার খাল-খনন প্রকল্পের উদ্বোধন পীরগঞ্জে পূর্ব চৌরাস্তা ব্যাবসায়ী সমিতি নির্বাচন-রব্বানী সভাপতি, রাজা সম্পাদক পীরগঞ্জে সিসি ক্যামেরার আওতায় নকলমুক্ত পরিবেশে এসএসসি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

বাগেরহাটে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: সৎ বাবার ফাঁসি

বাগেরহাটের শরণখোলায় নয় বছরের এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে আল আমিন হাওলাদার (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত। আদালত একইসঙ্গে ফাঁসির দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত আল আমিনকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে। বুধবার দুপুরে বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ ও শিশু আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এই রায় দেন।
দণ্ডিত আল আমিন শিশু মায়ার সৎ বাবা। রায় ঘোষণার সময় আসামি আল আমিন কাঁঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া আদালত ওই আসামিকে এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন।
আল আমিন হাওলাদার বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার মঠেরপাড়া গ্রামের ফজলুল হক হাওলাদারের ছেলে। হত্যার শিকার মায়া শরণখোলা উপজেলার সদরের  রায়েন্দা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
মামলার নথির বরাত দিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁশুলি (পিপি) সিদ্দিকুর রহমান খান বলেন, ২০১৬ সালে শরণখোলা উপজেলার মঠেরপাড়া গ্রামের আল আমিনের সঙ্গে মায়ার মা পুতুল বেগমের বিয়ে হয়। ওই বছরের ২০ ডিসেম্বর সকালে আল আমিন তাঁর স্ত্রী পুতুল বেগমকে ফোন করে মুরগি নিতে মেয়েকে বাজারে পাঠাতে বলে। স্বামীর ফোন পেয়ে তিনি একটি ভ্যানে করে মেয়েকে বাজারে তার স্বামীর কাছে পাঠান। এরপর থেকে শিশুটি নিখোঁজ ছিল। অনেক খোঁজাখুঁজির পর শিশুরটির সন্ধান না পেয়ে ওই দিন রাতে পরিবারের লোকজন পুলিশকে জানায়।
শরণখোলা থানা পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে শিশু মায়ার সৎ বাবা আল আমিনকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তাঁর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পরদিন মঠেরপাড়া গ্রামের জনৈক লিটু মিয়ার ধানক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে। ওই ঘটনায় ২১ ডিসেম্বর নিহতের নানা কামরুল হাসান দুলাল বাদী হয়ে শরণখোলা থানায় একটি হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শরণখোলা থানার তৎকালীন উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. আমির হোসেন সৎ বাবা আল আমিনকে অভিযুক্ত করে ২০১৭ সালের ২০ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালতের বিচারক  ১৩ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বুধবার এই রায় ঘোষণা করেন। আসামি পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট ওজিয়ার রহমান পিকলু।
Tag :

ভিডিও

এই অথরের আরো সংবাদ দেখুন

তারেক রহমানের নেতৃত্বে আজ বাংলাদেশ দ্রুত সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে- মির্জা ফখরুল

বাগেরহাটে শিশু ধর্ষণ-হত্যা: সৎ বাবার ফাঁসি

আপডেট টাইম ১২:৩৭:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ জুলাই ২০১৮
বাগেরহাটের শরণখোলায় নয় বছরের এক কন্যাশিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার দায়ে আল আমিন হাওলাদার (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত। আদালত একইসঙ্গে ফাঁসির দণ্ডাদেশ প্রাপ্ত আল আমিনকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে। বুধবার দুপুরে বাগেরহাটের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ ও শিশু আদালতের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এই রায় দেন।
দণ্ডিত আল আমিন শিশু মায়ার সৎ বাবা। রায় ঘোষণার সময় আসামি আল আমিন কাঁঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া আদালত ওই আসামিকে এক লাখ টাকা জরিমানার আদেশ দেন।
আল আমিন হাওলাদার বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার মঠেরপাড়া গ্রামের ফজলুল হক হাওলাদারের ছেলে। হত্যার শিকার মায়া শরণখোলা উপজেলার সদরের  রায়েন্দা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল।
মামলার নথির বরাত দিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁশুলি (পিপি) সিদ্দিকুর রহমান খান বলেন, ২০১৬ সালে শরণখোলা উপজেলার মঠেরপাড়া গ্রামের আল আমিনের সঙ্গে মায়ার মা পুতুল বেগমের বিয়ে হয়। ওই বছরের ২০ ডিসেম্বর সকালে আল আমিন তাঁর স্ত্রী পুতুল বেগমকে ফোন করে মুরগি নিতে মেয়েকে বাজারে পাঠাতে বলে। স্বামীর ফোন পেয়ে তিনি একটি ভ্যানে করে মেয়েকে বাজারে তার স্বামীর কাছে পাঠান। এরপর থেকে শিশুটি নিখোঁজ ছিল। অনেক খোঁজাখুঁজির পর শিশুরটির সন্ধান না পেয়ে ওই দিন রাতে পরিবারের লোকজন পুলিশকে জানায়।
শরণখোলা থানা পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে শিশু মায়ার সৎ বাবা আল আমিনকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে তাঁর স্বীকারোক্তি অনুযায়ী পরদিন মঠেরপাড়া গ্রামের জনৈক লিটু মিয়ার ধানক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে। ওই ঘটনায় ২১ ডিসেম্বর নিহতের নানা কামরুল হাসান দুলাল বাদী হয়ে শরণখোলা থানায় একটি হত্যা ও ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শরণখোলা থানার তৎকালীন উপ পরিদর্শক (এসআই) মো. আমির হোসেন সৎ বাবা আল আমিনকে অভিযুক্ত করে ২০১৭ সালের ২০ এপ্রিল আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালতের বিচারক  ১৩ জন স্বাক্ষীর স্বাক্ষ্য গ্রহণ শেষে বুধবার এই রায় ঘোষণা করেন। আসামি পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন অ্যাডভোকেট ওজিয়ার রহমান পিকলু।